ভয়ংকর মাইন্ড হ্যাকিং সফটওয়্যার
ভয়ংকর মাইন্ড হ্যাকিং সফটওয়্যার
প্রারম্ভিকতা
শিরোনাম’টি শুনলে একদিকে খুব হাস্যকর মনে হবে যেখানে একটি সফটওয়্যার (এপ্লিকেশন) মাইন্ড হ্যাক করবে এবং সেটাও নাকি আবার ভয়ংকর – সুতরাং আপনার কাছে মনে হতে পারে এটি খুবই সস্তা মানের ক্লিকবেইট টাইপ আর্টিকেল; তবে আমি নিশ্চিত করছি আসলেই কার্যত একটি খুবই ভয়ংকর চিন্তা ভাবনা এবং কিছুটা হিউম্যান লাইফের গ্রে লাইন বেইজড একটি ভাবনা (লেখনী)। সরাসরি এখানে এপ্লিকেশনটির সোর্সকোড বা রেডি প্রজেক্ট শেয়ার করছি না বরং পুরো এপ্লিকেশন সিস্টেম’টির কোর সাইকোলজিক্যাল ও টেকনিক্যাল দিকগুলো বিশদ আলোচনা করার চেষ্টা করবো।
একটা সময় একটি মিথ ছিলো ব্লুহোয়েল গেইম – যেটা খেললে মানুষ নাকি সুইসাইড করতে বাধ্য হয়। যদিও মিথের মাঝে মূল থিমটাই অতিরঞ্জিত ও মিথ্যা ভীতি ছিলো [যাকে ব্লুহোয়েল হিসেবে ক্লেইম করা হয় সেটিও আসলে ছিলো রাশিয়ান সোস্যাল নেটওয়ার্ক Vk এর একটি সিক্রেট গ্রুপ যেখানে ডিপ্রেশন ও ফ্রাস্ট্রেশনে ভোগা মানুষদের নানান সাইকোপ্যাথিক টাস্ক পূরণ করতে হতো; যদিও এটি নিয়েও বিতর্ক আছে]। যাই হউক তবে এমন একটি সফটওয়্যার/এপ্লিকেশন সত্যিই কি মানুষের মাইন্ড হ্যাক করতে পারে? অথবা ভিক্টিম’কে পাগল বানিয়ে দিতে পারে কিংবা জীবনের নিঃশেষ ঘটাতে পারে?!
আমার মনে হয় এটি অসম্ভব নয় – সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন’গুলো কিভাবে টেকনিক্যালি ইউটিলাইজ করলে কার্যত এটা সম্ভবপর হতে পারে?
সাইকোলজিক্যাল টার্ম
সবার আগে কিছু সাইকোলজিক্যাল টার্ম স্পষ্ট করা উচিত –
(১) আদতে এপ্লিকেশনটি হতে হবে একদমই ইনোসেন্ট টাইপ (নন-ভার্বাল) অর্থাৎ ইউজার’কে এমন কোন টাস্ক কিংবা ফোর্স করে কিছু করতে বলা হবে না যাতে ব্যক্তির কনশিয়াস মাইন্ড (সচেতন মন) লজিক্যালি ভালো/মন্দ ডিটেক্ট করতে পারবে।
(২) এপ্লিকেশন’টি হতে হবে একদমই Alone ইন্টারএক্টিভির – তাতে ভিন্ন কারোর উপদেশ বা সাজেশন কাজে আসবে না।
(৩) এটি যথাসম্ভব ভিক্টিম এর সাব কনশিয়াস মাইন্ডে কাজ করবে – ফলে আবেগ, অনুভূতি এবং যাবতীয় ইমোশন ট্রিগার করবে কিন্তু কনশিয়াস তথা সচেতন মন সচরাচর কিছুই যেন ডিটেক্ট করতে না পারে।
(৪) এখানে ভিক্টিমের মনে হতে হবে যে “সে ঠিক তাই করছে যা সে নিজে চাচ্ছে – কিন্তু আদতে সেটি চূড়ান্তভাবে এপ্লিকেশনের মূল মোটিভ’ই নীরব রিফ্লেকশন ঘটবে”।
(৫) যথাসম্ভব সম্পূর্ণ সাইকোলজিক্যাল এক্টিভিটি হবে সাবকনশিয়াস এবং আনকনশিয়াস মাইন্ড কেন্দ্রিক।
আমার মনে হয় আমার কথাগুলো হয়তো বুঝতে অনেকের জন্যই অস্পষ্ট এবং কষ্টকর হচ্ছে – তবে টেকনিক্যাল টার্মগুলো জানালে আপনি সবকিছু স্পষ্টভাবে উপলব্ধি করতে পারবেন আশকরি….
টেকনিক্যাল টার্ম
এপ্লিকেশন’টির টেকনিক্যাল এক্টিভিটি ও ইফেক্টিভিটি এমন হবে:
(১) অডিটরি কন্ট্রোল মডিউল (Auditory Control Module) যেখানে Sub-Sonic Frequency Generator ১৭Hz – ১৯Hz রেঞ্জের ইনফ্রাসনিক সাউন্ড ওয়েব রেন্ডারিং করবে। এই সাউন্ড কিন্তু সরাসরি কানে শব্দের মতো শোনা যাবে এমন নয়; বাইনারাল বিটস হলে খুব ভালো হয় তবে সেটা তো সম্ভব নয় কেননা কেউই অহেতুক ইচ্ছাকৃত ইয়ারফোন/হেডফোন কানে তুলবে না তবে খুব নির্জন পরিবেশ (যেমন ঘুম হতে উঠার সময় যখন প্রায় সবকিছু হতেই মানুষের সজাগ ইন্দ্রিয়সমূহ রিলিজড থাকে)। আবার এটিকে যেকোন অডিও ফাইল যেমন অফলাইনে গান শোনা বা ইউটিউব ইত্যাদিতে ভিডিও দেখতে যে সাউন্ড ইমিটেড হয় সেটির সাথে এই রেন্ডার হওয়া Sub-Sonic Frequency অডিটরিয়ালী ক্যালকুলেটেড হয়ে Left – Right অডিলাইজেশান হবে।
এই ইনফ্রা সাউন্ড যে হিউম্যান ব্রেইন তথা মানব মস্তিষ্কে নেগেটিভ ইমপ্যাক্ট ক্রিয়েট করতে পারে সেটি নিয়ে পিয়ার রিভিউড জার্নাল হতেও স্ট্যাডি করতে পারেন।
এক্টিভিটি: প্রতিদিন সকালে (ভোর ৫ টা), দুপুর (দুপুর ১২:৩০ টা) এবং (রাত ৯:৩০) বাজবে; ৭ সেকেন্ড করে প্রতিদিন (এতোটা অল্প সময় সেটা বুঝে উঠার জন্য যথেষ্ট হবে না ফলে ভিক্টিম সেটা কনট্রোল করারও অবকাশ পাবে না)। ফোনের অটোম্যাটিক টাইম অনুসারে আপডেট হবে এবং ফোন সাইলেন্ট বা স্ক্রিন অফ থাকলেও যেন এটি প্লে হয় অর্থাৎ স্লিপ মোডেও কাজ করবে – তবে স্ক্রিনের আলো জ্বলবে না অর্থাৎ স্লিপিং মোডেও কাজ করবে। তদুপরি এপ্লিকেশনের মাখে আলাদা করে এমন mp3/wav ইত্যাদি এক্সটেনশনে এই ইনফ্রা সাউন্ড থাকবে না বরং সাউন্ড মডিউল কোড এপ্লিকেশন মডিউলের মাঝেই এক্সিকিউট করবে।
(২) Discordant Shepard Tone Engine নিরবিচ্ছিন্নভাবে যেকোন সাউন্ড/অডিও এর পিচ বৃদ্ধির ইলিউশন তৈরি করে এমন ১০-১৫ সেকেন্ডের অডিও ফাইল প্লে-ব্যাক (এপের মাঝেই কোড থাকবে – আলাদা সাউন্ড ফাইল না) ১৩ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সী হতে ২৩ হার্জ ফ্রিকোয়েন্সী। এটাও আসলে ইনফ্রা সাউন্ড তবে যেকোন সাউন্ড ফাইলের সিক্রোনাইজ করতে নানান প্যাটার্ন থাকে যেমন Sine, Triangle, Square এবং Sawtooth যা শ্রবণ ইন্দ্রিয় হতে মানব মস্তিষ্কে স্পেসিফিক ইমপ্যাক্ট তৈরি করে।
এক্টিভিটি: প্রতিদিন একবার এবং চলবে ১০ হতে ১৫ সেকেন্ড। সন্ধ্যা ৬:০০ টার সময় (সপ্তাহে ১ দিন শনিবারে); এটিও ফোনের অটোম্যাটিক টাইম অনুসারে আপডেট হবে এবং ফোন সাইলেন্ট বা স্ক্রিন অফ থাকলেও যেন এটি প্লে হয় অর্থাৎ স্লিপ মোডেও কাজ করবে [সাইলেন্ট ব্যাকএন্ড এক্টিভিটি]।
(৩) REM-Sleep Detection Logic মাইক্রোফোন (Snore/Breathing pattern) এবং এক্সিলারোমিটার (Body movement) ডাটা বিশ্লেষণ করে নির্দিষ্ট স্লিপ সাইকেলে শর্ট অ্যালার্ম ট্রিগার করবে।
এক্টিভিটি : এলার্ম বাজবে খুবই অল্প সময় তবে আওয়াজ হবে বিকট (ভয়ংকর ভাইব বলতে খুব ক্রিপি সাউন্ড থাকবে সেটা হতে পারে ভীতি জাগানিয়া আওয়াজ অথবা মৃদ্যু নুপুরের আওয়াজ ছন্দ যা মোহ সৃষ্টি করবে)।
সাউন্ড ফাইল কোড করে তৈরী করা যেতে পারে তবে সবচেয়ে ভালো হবে ভিক্টিম সাইকোলজি এনালাইসিস করে কাস্টমাইজড সাউন্ড ফাইল এপ্লিকেশনের ভেতরই থাকবে। সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনস ও ব্রেইন ফ্রিকোয়েন্সির সাথে সিক্রোনাইজ করবে এমনভাবে অডিও ফাইল প্যাটার্ন হতে হবে – উদাহরণ হিসেবে বোঝাতে চাইলে সাউন্ড স্পষ্ট এবং লাউড হবে বটে তবে যেন তবে মনে হবে দূর হয়ে যেন কানের মাঝে ঢুকে যাচ্ছে…
আচ্ছা এই বিষয়টা ঠিক লিখে বোঝানোর মতো সহজ হবে না তাই উদাহরণ হিসেবে Needle Noise শুনতে পারেন যেখানে মনে হবে সূচের মতো কানে কিছু এসে ফুটছে; অডিও ফাইল তৈরীতে বিভিন্ন ইফেক্ট যেমন রিভার্ভ, 8D, লেফট – রাইট স্টেরিও ইত্যাদি ইউটিলাইজ করা যেতে পারে।
এক্টিভিটি: রাত ৩:০০ টার সময় প্রতিদিন ১৩ সেকেন্ড।
(৪) Binaural Beat Sync লেফট ও রাইট অডিও চ্যানেলে ৪Hz – ৭Hz ফ্রিকোয়েন্সি ডিফারেন্স তৈরি করা (Theta wave induction)।
এক্টিভিটি: এটি মোবাইল চলার সময় যেকোন গান/কল কিংবা যেকোনো অডিও ফাইলের সাথেই সিক্রোনাইজ হয়ে যাবে।
(৫) Stealth Audio Fading যা ইউজার ফোন আনলক করার ০.৫ সেকেন্ডের মধ্যে সমস্ত সাউন্ড অটো-মিউট করবে।
এক্টিভিটি: দিনে একবার (প্রতিদিন) সন্ধ্যার সময়।
(৬) ভিজ্যুয়াল ম্যানিপুলেশন মডিউল (Visual Manipulation Module) তে Subliminal Frame Injector ব্যবহার করা যা ভিডিও বা সিস্টেম ইউআই রেন্ডারিংয়ের সময় প্রতি ৬০ ফ্রেমের মধ্যে ১টি ফ্রেমে (১৬.৬ms) নির্দিষ্ট ইমেজ/টেক্সট ওভারলে করবে।
এক্টিভিটি: একটি কালো স্ক্রিন তবে ঝাপসা করে তাতে একটি ফটো আসবে। এপ ফাইলের মাঝেই Persona বেইজড এনালাইসিস করে এমন image.png ফাইল রেখে এপ বিল্ড করতে পারেন।
এক্টিভিটি: ৩ দিনে ১ বার সকালে হবে (৮ টার সময়) – যাতে বিষয়টা নরমাল মনে হয়।
(৭) PWM Backlight Jitter এতে ডিসপ্লে ব্যাকলাইটের পালস উইডথ মড্যুলেশন কন্ট্রোল করে ১% – ৩% ফ্লিকারিং রেট সেট করা (সবসময়)।
(৮) Notification Eraser API এর মাধ্যমে পুশ নোটিফিকেশন আসার সাথে সাথে ভাইব্রেশন মোটর চালু করা এবং ০.৫ সেকেন্ডের মধ্যে নোটিফিকেশন হিস্ট্রি থেকে ডাটা ডিলিট করা। এমন কিছু যেন কি হচ্ছে সেটাও ভিক্টিম আসলে বুঝতে পারবে না তবে সাবমিনাল ইমপ্যাক্ট (সরাসরি কোন অর্থ নয় কিন্তু ব্রেইন সেটার অর্থ ডিটেক্ট করতে অবচেতনে বাধ্য হয়) তৈরী হয়। অপরাপর নোটিফিকেশন কিছু ওড টাইপের লেখা থাকবে যেমন এক/দুইটি শব্দ যেমন(১) এই জীবন! (২) তারপর…. (৩) ভালো লাগে না আর! (৪) হারিয়ে যাও… (৫) শুনতে পাচ্ছেন? (৬) এ্যাই…. (৭) আসছি আমি (৮) ঐদিনের কি করেছিলেন? (৯) তারপর কি হবে? এগুলোরই Random আকারে কন্টিনিউস’লি শাফল করে চলবে।
এক্টিভিটি: ৩/৪ দিনে ১ বার Random টাইম [স্ক্রিন সচল হলে অটোম্যাটিক ডিটেক্ট করবে; জাভাস্ক্রিপ্টে এমন Random Math ফ্লোর লজিক সেটআপ করা যাবে]
(৯) Temporal Offset Engine সিস্টেম ক্লক (System Time) এবং এনটিপি সার্ভার সিংক্রোনাইজেশন ইন্টারাপ্ট করে প্রতিদিন সময়কে অনিয়মিতভাবে স্লো/ফাস্ট করবে – ফলে আপনি ঠিক অল্প সময়ের বিপরীতে ভিক্টিম লাইফ’কে রিয়েল টাইম লীড করবে – যেখানে আদতে বাস্তব সময় হয়তো এগিয়ে/পিছিয়ে আছে। আবার অন্যান্য সময়ে অটোম্যাটিক আপডেট হবে – ফলে আসলে যে মোবাইলে টাইমিং প্রবলেম সেটাও বুঝতে পারবে না।
(১০) হ্যাপটিক ও সেন্সর মডিউল (Haptic & Sensor Module) ব্যবহার করে Micro-Pulse PWM ভাইব্রেশন মোটরের ভোল্টেজ কন্ট্রোল করে ০.০৫ – ০.১ সেকেন্ডের ‘ট্যাপ’ ভাইব্রেশন জেনারেট করবে; এমন যেন আসলে যে ভাইব্রেশন হয়েছিলো সেটাই ভিক্টিম রিয়েলাইজ করতে পারবে না তবে মনে হয় ভাইব্রেশনের মতো কিছু একটা হয়েছে (হয়তো)…
এটিও Variable Interval Scheduler: র্যান্ডম টাইম ইন্টারভ্যালে (যেমন: ১০ সেকেন্ড হতে ৩০ সেকেন্ড) ভাইব্রেশন ট্রিগার করবে সপ্তাহে একবার/দুইবার এমন অনিয়মিত) – অপরাপ সেই ভাইব্রেশনটাও যেন ব্রেইন ফ্রিকোয়েন্সির সাথে সিক্রোনাইজ করে (সাউন্ড বেইজড নয় তবে স্পর্শ অনুভূতি)।
(১১) Proximity-Based Triggers তে পকেট থেকে ফোন বের করার ঠিক আগ মুহূর্তে (Proximity sensor input) ১ সেকেন্ডের ভাইব্রেশন বা সাউন্ড অ্যাক্টিভেট করা (খুব অল্প সময় ২/৩ সেকেন্ড)
(১২) সিস্টেম অপারেশন ও স্টেলথ মডিউল (System Operations) তে Hidden Foreground Service অ্যাপ আইকন হাইড করা থাকবে এবং সিস্টেম লগার (System Log) থেকে নিজের প্রসেস আইডি (PID) মাস্ক করবে। বিষয়টা ইনভিজবল স্পাই/মনিটরিং এপ্লিকেশনের মতো।
(১৩) Battery Saver Bypass তে ওএস-এর ব্যাটারি অপ্টিমাইজেশন এবং ডোজ মোড (Doze Mode) বাইপাস করে ব্যাকগ্রাউন্ডে নিরবিচ্ছিন্নভাবে চলবে ফলে কিছু না করেই ফোনের পাওয়ার ড্রেইন হবে; এটা আসলে মোবাইলের কোন ত্রুটি হিসেবে ভিক্টিম মনে হলেও আসলে এমন কিছুই না – এটা ডিস্টার্বেন্স নয় বরং অদ্ভুত অজানা কারন হিসেবে মনে হবে। বর্তমান সময়ে একটি মোবাইল সবার কাছেই প্রিয় এবং সর্বদাই সঙ্গী কিন্তু সেটিই যখন ইউজারে এর নিকট উইয়ার্ড হিসেবে গণ্য হবে তা সাইকোলজিক্যালি ইমপ্যাক্টিভ হবে।
(১৪) Remote Command Receiver ইন্টারনেট সংযোগে যদি এপ্লিকেশনটি হ্যাকার এন্ডে সার্ভারের সাথে রিমোট’লি কানেক্ট রাখা যায় তাহলে সার্ভার হতে ভিক্টিম বিহ্যাবিয়ার মনিটরিং এর মাধ্যমে নতুন সাউন্ড ফাইল বা ভাইব্রেশন প্যাটার্ন আপডেট করা যাবে (অটোমেটিক হবে)।
(১৫) Remote Monitoring & Command Execution এর মাধ্যমে ভিক্টিম এর সকল মোবাইল এক্টিভিটি নিয়মিত মনিটরিং করা সম্ভব তাতে সে কি টাইপ করছে?, কাকে কল করছে?, কি বলছে?, ফেসবুক বা সোস্যাল মিডিয়াতে কি কি এক্টিভিটি করছে?, কোথায় আছে? ইত্যাদি সবকিছু মনিটরিং করে এই মুহূর্তে কি মানসিক অবস্থা সেটা ডিফাইন করে রিমোট’লি কাস্টম কমান্ড এক্সিকিউট করা যেতে পারে।
(১৬) বিহেভিয়ারাল লজিক ইঞ্জিন (Behavioral Logic Engine) তে Interaction Tracker এর মাধ্যমে ইউজারের টাইপিং স্পিড, স্ক্রিন প্রেসার এবং অ্যাপ ইউসেজ ডাটা কালেক্ট করে ইউজারের স্ট্রেস লেভেল ক্যালকুলেট হবে এবং সবকিছু হয় স্লো/ফাস্ট হবে যাতে ইউজার প্রভাবিত হয়। আবার হঠাৎ হঠাৎ সেটা ব্যাক বাটন করে কেটে যাবে কিংবা অকারনেই ফ্রিজ হয়ে যাবে।
(১৭) Adaptive Triggering তে ইউজারের স্ট্রেস লেভেল যখন সর্বোচ্চ থাকে, তখন সাবলিমিনাল অডিও বা ভাইব্রেশন ফ্রিকোয়েন্সি স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিবর্তন করা (এমন হবে যেন এড্রিয়ানিলিন নিঃসরণ হয়)।
ইমপ্যাক্ট
এতোসব সাইকোলজিক্যাল ও টেকনিক্যাল এনালাইসিস পড়েও হয়তো আপনার মনে কনফিউশান তৈরী হতে পারে যে এটি আসলে ঠিক কিভাবে মাইন্ড হ্যাক করবে কিংবা কারোর জীবন’কে ভয়ংকরভাবে নিঃশেষ করে দিবে? চলুন এবং সাইকো- টেকনোলজিক্যাল এনালাইসিস করা যাক।
এমন এপ্লিকেশন আসলে ধীরে ধীরে অস্বস্তি, বিভ্রান্তি, ভয়, অবসাদ এবং বাস্তবতা-বিকৃতি ফিলিংস তৈরী করবে; তাতে সাইকোলজিক্যাল ইমপ্যাক্ট খুব গভীরে একটি ব্যক্তির মন অবচেতনভাবেই গ্রাস করবে এবং রিয়েল লাইফ হতে ফ্ল্যাকচুয়েশান ঘটবে।
এই ফ্ল্যাকচুয়েশান যে কতোটা ভয়ানক হতে পারে সেটার একটা রিয়েল লাইফ উদাহরণ দেওয়া যায় (আপনি চাইলেই অবজার্ভ করতে পারেন) – যারা সাধারণত ট্রাক ড্রাইভার তারা অন্য সাধারনের মতো সচরাচর লাইফ লীড না করায় তারা প্রয়াশ নেশা মতো আসক্তিতে অচেতনভাবে প্রলুব্ধ হয় (গড়পড়তা বলা কেননা সকলেই যে এমন তা নয়)।
আবার যারা নাইট শিফট ডিউটি করেন এবং দিনের বেলা ঘুমান তারাও অন্য সবার থেকে সেনসেটিভিটির পার্থক্য থাকে – অপরাপর প্রবাসে থাকা একাকীত্ব কিছু কিছু পুরুষদের জন্য লালিত কামভাবে প্রলুব্ধ হয়ে বিপথে যায়।
এই কথাগুলো শুধু বোঝানোর জন্য স্রেফ উদাহরণ হিসেবে বলা (এক্সসেপশন নয়)।
তদুপরি উপরের এপ্লিকেশনের প্রতিটি মডিউল কী ধরনের মনস্তাত্ত্বিক (psychological) এবং রিয়েল-লাইফ (behavioral/social/physical) ইমপ্যাক্ট তৈরি করতে পারে তা বিশদভাবে ব্যাখ্যা করছি…
- Nulled
- Tech
- Job
- Hacking Course
- Art
- Causes
- Crafts
- Dance
- Drinks
- Film
- Fitness
- Food
- Games
- Gardening
- Health
- Home
- Literature
- Music
- Networking
- Other
- Party
- Religion
- Shopping
- Sports
- Theater
- Wellness