Sponsored

[ক্রিপ্টো ট্রেডিং-০২]: চার্ট রিডিং ও টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এবং সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স ও বেসিক ইন্ডিকেটর।

0
0

চার্ট রিডিং ও টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এবং সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স ও বেসিক ইন্ডিকেটর

[ক্রিপ্টো ট্রেডিং-২]: চার্ট রিডিং ও টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস এবং সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স এবং বেসিক ইন্ডিকেটর

চার্ট রিডিং ও টেকনিক্যাল অ্যানালাইসিস

ক্রিপ্টো ট্রেডিং এর ক্ষেত্রে ট্রাডিশনাল একটি ফ্যাক্ট হলো চার্ট রিডিং এবং এনালাইসিস করা; এই চার্ট রিডিং এর এনালাইসিস ডাটা হতেই আপনি ডিটারমিনেটড হতে পারবেন “কখন কোন কয়েন এর দাম বাড়ছে/কমছে? কখন আপনার ট্রেডিং এন্ট্রি নেওয়া লাভবান হবে? কখন কোন কয়েন সেল করা/হোল্ড রাখা উচিত হবে?”

চলুন শুরু করা যাক….

১. টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল এনলাইসিস

টেকনিক্যাল এনালাইসিস: চার্ট দেখে অতীতের দামের মুভমেন্ট বিচার করে ভবিষ্যতের দাম অনুমান করা। শর্ট-টার্ম ট্রেডিংয়ের জন্য এটিই সবচেয়ে বেশি কার্যকর।

ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিস: নির্দিষ্ট কয়েনটির গুরুত্ব, নিউজ এবং প্রজেক্টের ভবিষ্যৎ বিচার করা (যা আমরা ক্রিপ্টো ট্রেডিং এর ২য় পর্বে কিছুটা দেখেছি)।

২. ক্যান্ডেলস্টিক

লাইভ Crypto Chart Reading এবং Analysis এর জন্য Live Crypto Graph  এপ্লিকেশনটি ওপেন করুন। এবার আপনি ঠিক যে ক্রিপ্টো কয়েন এর চার্ট এনালাইসিস করতে চান সেটির পেয়ার সিলেক্ট করুন।

আপাতত ধরে নিচ্ছি আপনি বিটকয়েন (BTC) এর এনালাইসিস করবেন সেক্ষেত্রে BTC/USD চুজ করুন [অন্যান্য সকল কয়েনের ক্ষেত্রেও একইভাবে ড্রপডাউন হতে সঠিক পেয়ার সিলেক্ট করে নিবেন]। এখন উক্ত কয়েনের রিয়েল টাইম ডাটা চার্ট লোড হবে যেখানে নীল নিয়ন কালার এবং লাল কালারের স্তম্ভ দেখতে পাবেন – এগুলোই হলো এক একটি ক্যান্ডেলস্টিক। আবার এই ক্যান্ডেলস্টিক এর সাথে উপর বা নিচের দিকে খুব চিকন সুতার মতো দাগ (লাইন) দেখতে পাবেন – এটাকে বলা হয় উইক (Wick)। যদি নিচের দিকে বড় উইক থাকে, তবে বুঝবেন সেখানে বায়াররা শক্তিশালী (অর্থাৎ দাম বাড়তে পারে) আর যদি উপরে বড় উইক থাকে, তবে সেলাররা চাপ দিচ্ছে (অর্থাৎ দাম কমতে পারে)। একইসাথে ক্যান্ডেলটি কোথায় শেষ হচ্ছে বা ‘ক্লোজ’ হচ্ছে সেটি অবজার্ভ করুন।

৩. চার্ট কন্ট্রোল

​জুম ও প্যান: আপনি মাউস বা টাচ স্ক্রিন ব্যবহার করে চার্টটি জুম-ইন বা জুম-আউট করতে পারেন তাহলে খুব সহজভাবে আপনি বর্তমান প্রাইস অ্যাকশন স্পষ্টভাবে দেখতে পারবেন [Live Crypto Graph টুলটিতে ০.৩ সেকেন্ডের কম লেটেন্সি রাখে

যার অর্থ আপনি একদম রিয়েল-টাইম (সরাসরি) মার্কেট মুভমেন্ট দেখতে পারবেন]।

৪. চার্ট নেভিগেশন

​(ক) প্রাইস অ্যাকশন (Price Action): চার্টে কোনো বিশেষ প্যাটার্ন তৈরি হচ্ছে কি না দেখুন। যেমন

​Hammer অর্থাৎ হাতুড়ির মতো যদি ক্যান্ডেলটি মতো দেখায় (নিচে লম্বা উইক), তবে দাম বাড়ার সম্ভাবনা আছে।

(খ) ​Engulfing: যদি একটি নীল নিয়ন ক্যান্ডেল আগের লাল ক্যান্ডেলটিকে পুরোপুরি ঢেকে ফেলে (অভ্যাল্যাপিং) তবে বুঝবেন মার্কেট এখন শক্তিশালী বা স্ট্রং পজিশনে আছে।

(গ) ব্রেকআউট (Breakout): কোনো কয়েন যদি তার আগের সর্বোচ্চ দামের (High) ওপর গিয়ে ক্যান্ডেল ক্লোজ করে, তবে বুঝবেন এটি আরও উপরে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

(ঘ) স্কেল্পিং (Scalping): যেহেতু এখানে ১০০০ ক্যান্ডেল পর্যন্ত হিস্ট্রি দেখা যায়, তাই আপনি ৩০-৯০ সেকেন্ডের ছোট মুভমেন্ট দেখে দ্রুত এন্ট্রি এবং এক্সিট (কেনা এবং বেচা) করতে পারেন।

সামারাইজ

এত্তো বকবক করার পর কতোটুকু মাথাতে আটকে গেলো সেটার জন্য খুব ছোট ও সহজ করেব একটি সামারাইজ দেওয়া উচিত মনে করছি; অল্পকথায় যেন মূল কথা মস্তিষ্কে থাকে..

​নীল ক্যান্ডেল (Bullish): এর মানে দাম নিচে ওপেন হয়ে উপরে ক্লোজ হয়েছে (দাম বেড়েছে)।

​লাল ক্যান্ডেল (Bearish): এর মানে দাম উপরে ওপেন হয়ে নিচে ক্লোজ হয়েছে (দাম কমেছে)।

​উইক (Wick/Shadow): ক্যান্ডেলের উপরে বা নিচে থাকা চিকন সুতোর মতো অংশটি দেখায় যে দাম সর্বোচ্চ বা সর্বনিম্ন কতটুকু পর্যন্ত গিয়েছিল।

সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স এবং বেসিক ইন্ডিকেটর

ইতিপূর্বে আমরা ক্যান্ডেলস্টিক আর চার্ট রিডিংয়ের বেসিক জেনেছি। কিন্তু সওদাগরি বাণিজ্যে শুধু ক্যান্ডেলের রং দেখলে তো হবে না, বুঝতে হবে দাম চার্টের কোথায় গেলে আটকে যায় আর কোথা থেকে ফিরে আসে।

এখন আমরা শিখবো ট্রেডিংয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দুটি হাতিয়ার: সাপোর্ট-রেজিস্ট্যান্স এবং কিছু বেসিক ইন্ডিকেটর।

চলুন, শুরু করা যাক…

১. সাপোর্ট এবং রেজিস্ট্যান্স (Support and Resistance)

সহজ কথায়, সাপোর্ট হলো চার্টের “মেঝে” (Floor) আর রেজিস্ট্যান্স হলো “ছাদ” (Ceiling)।

সাপোর্ট (Support):কোনো কয়েনের দাম কমতে কমতে এমন একটা নির্দিষ্ট প্রাইস পয়েন্টে আসে, যেখান থেকে সাধারণত দাম আর নিচে নামে না। কারণ সেখানে বায়াররা (ক্রেতারা) মনে করে দাম যথেষ্ট কমেছে এবং তারা প্রচুর কেনা শুরু করে। ফলে ডিমান্ড বাড়ে এবং দাম আবার উপরের দিকে বাউন্স করে।

রেজিস্ট্যান্স (Resistance):দাম বাড়তে বাড়তে এমন একটা পয়েন্টে পৌঁছায়, যেখান থেকে দাম আর উপরে উঠতে পারে না। কারণ যারা কমে কিনেছিল, তারা এই দামে প্রফিট নিতে (বিক্রি করতে) শুরু করে। ফলে সাপ্লাই বাড়ে এবং দাম আবার নিচের দিকে নামতে থাকে।


ট্রেডিংয়ের মূলমন্ত্র: সাধারণত সাপোর্টে কেনা (Buy) আর রেজিস্ট্যান্সে বিক্রি করা (Sell) হলো সবচেয়ে বেসিক কিন্তু কার্যকরী ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজি।

২. ট্রেডিং ইন্ডিকেটর কী?

সমুদ্রে জাহাজ চালাতে যেমন কম্পাস লাগে, তেমনি চার্টের গতিবিধি বুঝতে ট্রেডিং ইন্ডিকেটর লাগে। এগুলো মূলত অতীতের দাম আর ভলিউমের ডেটা গাণিতিক হিসাব করে চার্টের ওপর সিগন্যাল দেয়। ইন্ডিকেটর অনেক আছে, তবে শুরুতে সবচেয়ে দরকারি দুটি হলো MA এবং RSI।

৩. মুভিং এভারেজ (Moving Average – MA)

মার্কেট এখন কোন দিকে যাচ্ছে (ট্রেন্ড কী), সেটা বোঝার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো মুভিং এভারেজ। এটি অতীতের নির্দিষ্ট কিছু দিনের (যেমন ২০ দিন, ৫০ দিন বা ২০০ দিন) দামের গড় হিসাব করে চার্টে একটি লাইন তৈরি করে।


কীভাবে কাজ করে?

আপট্রেন্ড (Up-trend): ক্যান্ডেলগুলো যদি মুভিং এভারেজ লাইনের উপরে থাকে, তার মানে মার্কেট বুলিশ বা শক্তিশালী পজিশনে আছে।

ডাউনট্রেন্ড (Down-trend): ক্যান্ডেলগুলো যদি মুভিং এভারেজ লাইনের নিচে থাকে, তার মানে মার্কেট বিয়ারিশ বা দুর্বল পজিশনে আছে।

৪. রিলেটিভ স্ট্রেংথ ইনডেক্স (Relative Strength Index – RSI):

RSI দিয়ে মাপা হয় বাজারে কোনো কয়েন “অতিরিক্ত কেনা” হয়ে গেছে নাকি “অতিরিক্ত বিক্রি” হয়ে গেছে। এর মান ০ থেকে ১০০ এর মধ্যে ওঠানামা করে।

কীভাবে বুঝবেন?

Overbought (৭০-এর উপরে): RSI এর মান যদি ৭০ এর উপরে চলে যায়, তার মানে মানুষ হুজুগে অনেক বেশি কিনে ফেলেছে। মার্কেট এখন “ওভারবট”। যেকোনো সময় দাম কারেকশন হতে পারে বা কমতে পারে। (এটি সাধারণত প্রফিট বুক করার বা বিক্রির সিগন্যাল)।

Oversold (৩০-এর নিচে): RSI এর মান যদি ৩০ এর নিচে নেমে যায়, তার মানে মানুষ ভয়ে বা প্যানিকে অনেক বিক্রি করে দিয়েছে। মার্কেট এখন “ওভারসোল্ড”। এখান থেকে বায়াররা আবার এন্ট্রি নিতে পারে এবং দাম বাড়তে পারে। (এটি সাধারণত কেনার সিগন্যাল)।

উদাহরণস্বরূপ CryptoSignalBot দেখতে পারেন যেখানে Binance REST System ব্যবহার করে প্রতি ৫ সেকেন্ডে (৫০০০ms) ডাটা প্যাকেট রিসিভ করে Volatility Scalping মেথড ব্যবহার করে গত ৫টি ডাটা পয়েন্টের (২৫ সেকেন্ড) গড় পরিবর্তন বিশ্লেষণ করে এটি সিগন্যাল জেনারেট করে:

• BUY: যদি প্রাইস ০.০১% এর বেশি বৃদ্ধি পায়।

• SELL: যদি প্রাইস ০.০১% এর বেশি ড্রপ করে।

• HOLD: যদি মার্কেট স্থিতিশীল থাকে।

সামারাইজ

যাতে সহজে মাথায় গেঁথে যায়:

সাপোর্ট: চার্টের মেঝে, যেখান থেকে দাম উপরের দিকে বাউন্স করে (কেনার উপযুক্ত জায়গা)।

রেজিস্ট্যান্স: চার্টের ছাদ, যেখান থেকে দাম নিচের দিকে ফিরে আসে (বিক্রি করার জায়গা)।

MA (মুভিং এভারেজ): ট্রেন্ড বোঝার কম্পাস। ক্যান্ডেল লাইনের উপরে থাকলে মার্কেট ভালো, নিচে থাকলে খারাপ।

RSI: ৭০ এর উপরে গেলে কেনার ঝুঁকি বেশি (Overbought), আর ৩০ এর নিচে নামলে কেনার সুযোগ (Oversold)।

তবে মনে রাখবেন, ট্রেডিংয়ে কোনো ইন্ডিকেটরই ১০০% গ্যারান্টি দেয় না। এগুলো শুধু সওদাগরকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে – যে সওদাগর বাণিজ্য করতে ট্রেডিং সমুদ্রে নেমেছে; আপনাকে ক্রিপ্টো ট্রেডিং শিখিয়েই ছাড়বো এমন আরকি!

আজ এতটুকুই…

সকলের জন্য শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো!

ওয়েব আমন্ত্রণ রইলো : PsychoTech

Search
Categories
Read More
Nulled
দেখুন কিভাবে মুহুর্তেই যেকোন ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করবেন অ্যান্ড্রয়েড দিয়ে | Techtunes | টেকটিউনস
তৈরী করুন উইন্ডোজের লাইভ সিডি এস এম মেহেদী আকরাম
By Nettumi 2026-09-25 03:09:15 0 7
Hacking Course
প্রায় ৫০ কোটি হোয়াটসঅ্যাপ একাউন্টের তথ্য ফাঁস! করণীয় জানুন
ব্যবসায়িক দিক দিয়ে দিন তেমন একটা ভালো যাচ্ছেনা ফেসবুক তথা মেটা’র। সম্প্রতি মেটাভার্সকে...
By Nettumi 2026-09-25 09:57:21 0 0
Nulled
Add-on Statuses Module for Perfex CRM v1.1 - Addon Download
Add-on Statuses Module for Perfex CRM v1.1 – Addon Free Download. It allows you to Create...
By Nettumi 2026-09-18 03:58:02 0 18
Nulled
রেসিং গেমের দুনিয়ায় নব্বই দশকের উন্মাদনা: আসছে মারকাটারি বাইক রেসিং গেম ‘ব্যাশ মোটো’ | Techtunes | টেকটিউনস
বিজ্ঞানের আশ্চর্যতম আবিষ্কার, সর্বাধুনিক প্রযুক্তি “Virtual Reality” – চলুন...
By Nettumi 2026-09-21 05:17:49 0 15
Nulled
AI Writer v4.0.0 - AI Content Generator & Writing Assistant Addon
AI Writer v4.0.0 – AI Content Generator & Writing Assistant Addon for 66biolinks...
By Nettumi 2026-09-18 03:30:18 0 18
‎ ‎ ‎
Nettumi https://nettumi.com