Windows 11 Pro Tips: দৈনন্দিন কাজ দ্রুত ও গুছিয়ে নেওয়ার ১০টি কৌশল - Tech Tips Desk – বাংলা প্রযুক্তি সংবাদ, মোবাইল রিভিউ ও টিপস
একই কম্পিউটারে লেখালেখি, হিসাব রাখা, ছবি সম্পাদনা, অনলাইন সভা, তথ্য অনুসন্ধান ও ফাইল ব্যবস্থাপনার কাজ করতে গিয়ে অনেকের পর্দায় একসঙ্গে অসংখ্য জানালা খুলে যায়। প্রয়োজনীয় ফাইল খুঁজতে সময় লাগে, বারবার একই লেখা অনুলিপি করতে হয়, আর কয়েক ঘণ্টা কাজের পর ডেস্কটপ এমন অগোছালো হয়ে পড়ে যে মনোযোগ ধরে রাখাই কঠিন হয়ে যায়।
এ ধরনের সমস্যার সমাধান সব সময় নতুন কম্পিউটার কেনা বা দামি সফটওয়্যার ব্যবহারের মধ্যে নেই। Windows 11-এর ভেতরেই এমন কিছু সুবিধা রয়েছে, যেগুলো ঠিকভাবে ব্যবহার করলে দৈনন্দিন কাজের ধাপ কমানো, খোলা জানালা গুছিয়ে রাখা, প্রয়োজনীয় সেটিংসে দ্রুত যাওয়া এবং কম্পিউটারের জায়গা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

তবে শুরুতেই একটি বিষয় পরিষ্কার থাকা দরকার। কোনো একটি সেটিংস বা কৌশল সবার কাজের গতি নির্দিষ্ট হারে বাড়াবে—এমন নিশ্চয়তা দেওয়া যায় না। তবে কোনো একটি সেটিংস বা কৌশল সবার কাজের গতি একইভাবে বাড়ায় না। সুবিধাগুলো কতটা কাজে দেবে, তা ব্যবহারকারীর কাজের ধরন, অভ্যাস, কম্পিউটারের ক্ষমতা এবং ব্যবহৃত সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর করবে। কাজের গতি কতটা বাড়বে, তা ব্যবহারকারীর কাজের ধরন, অভ্যাস, কম্পিউটারের ক্ষমতা এবং ব্যবহৃত সফটওয়্যারের ওপর নির্ভর করবে।
এই প্রতিবেদনে আলোচিত দশটি কৌশলের অধিকাংশই Windows 11-এর নিজস্ব সুবিধা। শুধু PowerToys আলাদাভাবে স্থাপন করতে হয়, তবে এটি Microsoft-এর নিজস্ব উন্মুক্ত উৎসভিত্তিক সফটওয়্যার। প্রতিটি সুবিধার ব্যবহার, সীমাবদ্ধতা ও নিরাপত্তার বিষয় একসঙ্গে তুলে ধরা হয়েছে, যাতে কোনো সেটিংস না বুঝে পরিবর্তন করার ঝুঁকি কমে।
শুরু করার আগে যে বিষয়গুলো যাচাই করবেন
প্রথমে কম্পিউটারের Windows Update সম্পন্ন করে নেওয়া ভালো। আপডেটের ধরন ও Windows 11-এর সংস্করণভেদে কোনো কোনো সেটিংসের নাম বা অবস্থানে সামান্য পার্থক্য দেখা যেতে পারে। অফিস বা প্রতিষ্ঠানের কম্পিউটারে প্রশাসক কিছু সুবিধা বন্ধ করে রাখতেও পারেন।
Settings খুলে Windows Update অংশে গিয়ে হালনাগাদ আছে কি না দেখা যাবে। বড় পরিবর্তন করার আগে প্রয়োজনীয় নথি, ছবি ও অন্য ফাইলের একটি অতিরিক্ত অনুলিপি রাখা উচিত। বিশেষ করে Storage Sense, PowerRename এবং Control Panel–সংশ্লিষ্ট কোনো শর্টকাট ব্যবহারের আগে সংশ্লিষ্ট বিকল্পগুলো ভালোভাবে পড়া জরুরি।
Windows 11 দ্রুত করার নামে অপরিচিত পরিষ্কারক সফটওয়্যার, Registry পরিবর্তনের ফাইল বা ইন্টারনেট থেকে পাওয়া অজানা নির্দেশনা ব্যবহার না করাই নিরাপদ। এখানে আলোচিত কাজগুলোর জন্য কোনো অননুমোদিত সফটওয়্যার প্রয়োজন নেই।
Computer Hidden Functions: কম্পিউটারের লুকানো ফাংশন যা সময় বাঁচায়
১. PowerToys দিয়ে পুনরাবৃত্ত কাজ সহজ করুন
PowerToys হলো Microsoft-এর তৈরি কয়েকটি সহায়ক সুবিধার সমষ্টি। এটি Windows 11-এর সঙ্গে আগে থেকে স্থাপিত থাকে না। Microsoft Store অথবা Microsoft-এর আনুষ্ঠানিক GitHub প্রকাশনা থেকে সফটওয়্যারটি সংগ্রহ করা যায়। Microsoft-এর নথি অনুযায়ী, PowerToys স্থাপনের জন্য ৬৪-বিট x64 বা ARM64 প্রসেসরসমৃদ্ধ সমর্থিত Windows সংস্করণ প্রয়োজন। PowerToys স্থাপনের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা
PowerToys-এর ভেতরে অনেক সুবিধা থাকলেও সবার সবগুলো চালু রাখার প্রয়োজন নেই। নিজের কাজের সঙ্গে সম্পর্কিত সুবিধাগুলো বেছে নিলে সেটিংস বোঝা সহজ হয় এবং অপ্রয়োজনীয় পটভূমির কার্যক্রমও কম থাকে।
FancyZones দিয়ে জানালা সাজানো
বড় পর্দা বা একাধিক মনিটরে কাজ করার সময় FancyZones বিশেষভাবে কাজে লাগে। এটি পর্দাকে ব্যবহারকারীর পছন্দ অনুযায়ী কয়েকটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে ভাগ করতে পারে। এরপর কোনো সফটওয়্যারের জানালা টেনে নির্ধারিত অঞ্চলে নিলে সেটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেই মাপ ও অবস্থানে বসে যায়।
ধরা যাক, একজন ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি পাশে Browser, মাঝখানে Microsoft Word এবং অন্য পাশে File Explorer রাখতে চান। FancyZones-এ একবার সেই বিন্যাস তৈরি করলে প্রতিবার হাত দিয়ে জানালার মাপ ঠিক করতে হবে না। নিয়মিত প্রতিবেদন লেখা, তথ্য মিলিয়ে দেখা, হিসাব রাখা বা ছবি বাছাইয়ের সময় এটি কার্যকর হতে পারে।
PowerToys Settings খুলে FancyZones চালু করার পর Launch layout editor নির্বাচন করে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী বিন্যাস তৈরি করা যায়। সাধারণভাবে জানালা টানার সময় Shift চেপে ধরলে নির্ধারিত অঞ্চলগুলো দেখা যায়। তবে ব্যবহারকারী সেটিংস থেকে এই আচরণ পরিবর্তন করতে পারেন। FancyZones ব্যবহারের Microsoft নির্দেশিকা
PowerRename দিয়ে একসঙ্গে একাধিক ফাইলের নাম বদলানো
একটি অনুষ্ঠানের শতাধিক ছবি বা নিয়মিত তৈরি হওয়া নথির নাম একে একে বদলাতে অনেক সময় লাগে। PowerRename নির্বাচিত একাধিক ফাইলের নামের নির্দিষ্ট অংশ খুঁজে পরিবর্তন করতে পারে। চূড়ান্ত পরিবর্তনের আগে নতুন নামের পূর্বরূপও দেখায়।
উদাহরণ হিসেবে, IMG_001, IMG_002 ও IMG_003 ধরনের ফাইলের নামের শুরুতে একটি প্রতিবেদনের পরিচিতি যোগ করা যেতে পারে। তবে পরিবর্তন কার্যকর করার আগে পূর্বরূপে প্রতিটি নাম পরীক্ষা করা জরুরি। ভুল হলে File Explorer-এর Undo Rename সুবিধা দিয়ে সর্বশেষ নাম পরিবর্তন ফেরানোর সুযোগও থাকতে পারে। PowerRename-এর আনুষ্ঠানিক ব্যবহারবিধি
সাধারণ কাজের জন্য PowerToys-কে সব সময় প্রশাসক হিসেবে চালানোর প্রয়োজন নেই। কেবল প্রশাসনিক অনুমতিতে চলা কোনো সফটওয়্যারের সঙ্গে FancyZones বা অন্য সুবিধা কাজ না করলে প্রশাসনিকভাবে চালানোর প্রয়োজন হতে পারে। অকারণে কোনো সফটওয়্যারকে বাড়তি অনুমতি না দেওয়াই ভালো নিরাপত্তাচর্চা।
২. Snap Layouts দিয়ে খোলা জানালা গুছিয়ে রাখুন
PowerToys স্থাপন করতে না চাইলে Windows 11-এর নিজস্ব Snap Layouts দিয়েই কয়েকটি খোলা জানালা দ্রুত সাজানো যায়। কোনো সফটওয়্যারের ওপরের ডান পাশে থাকা বড় করার বোতামের ওপর মাউস রাখলে সমর্থিত বিন্যাস দেখা যায়। কিবোর্ড থেকে Windows + Z চাপলেও একই সুবিধা খোলা যায়।
প্রথম জানালার অবস্থান বেছে নেওয়ার পর Snap Assist অন্য খোলা সফটওয়্যারগুলোর ছোট ছবি দেখায়। সেখান থেকে দ্বিতীয় বা তৃতীয় জানালা নির্বাচন করে অবশিষ্ট জায়গায় বসানো যায়। দুইটি নথি পাশাপাশি মিলিয়ে দেখা, একটি পাশে ভিডিও সভা রেখে অন্য পাশে নোট নেওয়া কিংবা Browser ও File Explorer একসঙ্গে ব্যবহারের ক্ষেত্রে এটি সুবিধাজনক।
Snap Groups একই বিন্যাসে থাকা জানালাগুলোকে একটি দল হিসেবে মনে রাখতে পারে। অন্য সফটওয়্যারে যাওয়ার পর কাজের সেই বিন্যাসে ফিরতে Taskbar থেকে সংশ্লিষ্ট দল নির্বাচন করা যায়। তবে সফটওয়্যার বন্ধ হয়ে গেলে বা কম্পিউটার পুনরায় চালু হলে আগের সব বিন্যাস একই অবস্থায় ফিরে আসবে—এমন নিশ্চয়তা নেই।
সুবিধাটি কাজ না করলে Settings > System > Multitasking পথে গিয়ে Snap windows চালু আছে কি না দেখতে হবে। একই জায়গা থেকে বড় করার বোতামের ওপর মাউস রাখলে বিন্যাস দেখানো, পর্দার ওপরে জানালা টানলে বিন্যাস দেখানো এবং Snap Assist ব্যবহারের মতো বিকল্প নিয়ন্ত্রণ করা যায়। Snap ব্যবহারের Microsoft নির্দেশিকা
FancyZones ও Snap Layouts একই ধরনের মনে হলেও দুটির ব্যবহার এক নয়। সাধারণভাবে দুই থেকে চারটি জানালা দ্রুত সাজাতে Snap Layouts যথেষ্ট। বিশেষ মাপ, একাধিক মনিটর বা নিয়মিত একই জটিল বিন্যাস প্রয়োজন হলে FancyZones বেশি নিয়ন্ত্রণ দেয়।
৩. Virtual Desktops দিয়ে কাজের আলাদা পরিবেশ তৈরি করুন
একই ডেস্কটপে অফিসের নথি, ব্যক্তিগত Browser, ছবি সম্পাদনার সফটওয়্যার ও বিনোদনের জানালা খোলা থাকলে মনোযোগ নষ্ট হতে পারে। Virtual Desktops ব্যবহার করে কাজের ধরন অনুযায়ী কয়েকটি আলাদা ডেস্কটপ তৈরি করা যায়।
Windows + Tab চাপলে Task View খুলবে। সেখানে New desktop নির্বাচন করে নতুন ডেস্কটপ তৈরি করা যায়। দ্রুত নতুন ডেস্কটপ তৈরির জন্য Windows + Ctrl + D ব্যবহার করা যায়। ডান বা বাঁ পাশের ডেস্কটপে যেতে যথাক্রমে Windows + Ctrl + Right Arrow অথবা Windows + Ctrl + Left Arrow চাপতে হবে।
একটি ডেস্কটপের নাম রাখা যেতে পারে “অফিস”, অন্যটির “ছবি সম্পাদনা” এবং আরেকটির “ব্যক্তিগত”। আলাদা নাম ও পটভূমি ব্যবহার করলে কোন পরিবেশে কাজ চলছে তা দ্রুত বোঝা যায়। Microsoft-ও বিভিন্ন প্রকল্প, ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজ এবং সভার প্রস্তুতি আলাদা রাখার জন্য একাধিক ডেস্কটপ ব্যবহারের কথা বলেছে। Virtual Desktops সাজানোর আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা
তবে Virtual Desktops কোনো আলাদা ব্যবহারকারী হিসাব বা নিরাপত্তাবেষ্টনী নয়। এটি মূলত খোলা জানালা গুছিয়ে রাখার ব্যবস্থা। একটি ডেস্কটপে চালু থাকা সফটওয়্যার কম্পিউটারের স্মৃতি ও প্রসেসর ব্যবহার করতে থাকবে। ফলে অপ্রয়োজনীয় ভারী সফটওয়্যার শুধু অন্য ডেস্কটপে সরিয়ে রাখলে কম্পিউটারের চাপ কমবে না; প্রয়োজন না থাকলে সফটওয়্যারটি বন্ধ করতে হবে।
কাজের ধরন অনুযায়ী সীমিতসংখ্যক ডেস্কটপ রাখাই সুবিধাজনক। অনেক বেশি ডেস্কটপ তৈরি করলে কোন জানালা কোথায় আছে তা খুঁজতেই আবার সময় নষ্ট হতে পারে।
কম্পিউটার অটোমেটিক রিস্টার্ট: কারণ, সতর্ক লক্ষণ ও নিরাপদ সমাধানের নিয়ম
৪. Windows Terminal দিয়ে নির্দেশনাভিত্তিক কাজ এক জায়গায় রাখুন
Windows Terminal মূলত Command Prompt, PowerShell এবং Windows Subsystem for Linux–এর মতো নির্দেশনাভিত্তিক পরিবেশ চালানোর আধুনিক মাধ্যম। এটি নিজে PowerShell বা Command Prompt-এর বিকল্প ভাষা নয়; বরং এসব পরিবেশকে একটি জানালার ভেতর আলাদা ট্যাব ও ভাগ করা অংশে চালানোর ব্যবস্থা করে।
যাঁরা ওয়েবসাইট পরিচালনা, সফটওয়্যার উন্নয়ন, সার্ভার ব্যবস্থাপনা বা নিয়মিত নির্দেশনা চালানোর কাজ করেন, তাঁদের জন্য এটি বিশেষভাবে কার্যকর। একটি ট্যাবে PowerShell, অন্যটিতে Command Prompt এবং আরেকটিতে Linux পরিবেশ খোলা রাখা যায়। প্রয়োজনে একই ট্যাবকে পাশাপাশি কয়েকটি অংশেও ভাগ করা যায়।
Windows Terminal-এ নিজস্ব রঙ, অক্ষরের ধরন, পটভূমি ও কিবোর্ড শর্টকাট নির্ধারণ করা যায়। Unicode ও UTF-8 সমর্থনের কারণে বাংলা এবং অন্য ভাষার লেখা দেখানোর ক্ষেত্রেও পুরোনো কিছু নির্দেশনা জানালার তুলনায় এটি সুবিধাজনক। Windows Terminal সম্পর্কে Microsoft-এর পরিচিতি
তবে শুধু সাধারণ ওয়েব ব্যবহার, নথি লেখা বা ছবি দেখার জন্য Windows Terminal শেখা বাধ্যতামূলক নয়। প্রয়োজন ছাড়া ইন্টারনেট থেকে নির্দেশনা অনুলিপি করে প্রশাসনিক PowerShell-এ চালানো বিপজ্জনক হতে পারে। কোনো নির্দেশনার কাজ না বুঝলে সেটি চালানো উচিত নয়।
প্রতিদিন একই বৈধ নির্দেশনা ব্যবহার করতে হলে Terminal-এর আলাদা Profile তৈরি করা যায়। তবে Password, গোপন Token বা ব্যক্তিগত তথ্য সরাসরি Profile-এর নির্দেশনায় লিখে রাখা নিরাপদ নয়।
৫. Clipboard History দিয়ে আগের অনুলিপি করা লেখা ফিরিয়ে আনুন
সাধারণভাবে নতুন কিছু অনুলিপি করলে আগের অনুলিপি করা বিষয়টি হারিয়ে যায়। Clipboard History চালু থাকলে সাম্প্রতিক একাধিক লেখা বা ছবি থেকে প্রয়োজনীয়টি বেছে আবার ব্যবহার করা যায়।
প্রথমবার Windows + V চাপলে সুবিধাটি চালু করার বার্তা দেখা যাবে। Turn on নির্বাচন করার পর নতুন করে অনুলিপি করা বিষয়গুলো তালিকায় জমা হতে থাকবে। একই ঠিকানা, পরিচিতি, বাক্য বা নথির অংশ বারবার ব্যবহারের প্রয়োজন হলে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় Pin করে রাখা যায়।
Microsoft-এর তথ্য অনুযায়ী, Clipboard History সর্বোচ্চ ২৫টি অনুলিপি করা বিষয় ধরে রাখে। প্রতিটি বিষয়ের সর্বোচ্চ আকার ৪ মেগাবাইট এবং Text, HTML ও Bitmap ধরনের বিষয় এতে সমর্থিত। পুরোনো বিষয়গুলো নতুন বিষয়ের জন্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে সরে যায়। কম্পিউটার পুনরায় চালু করলে Pin করা বিষয় ছাড়া বাকি ইতিহাস মুছে যেতে পারে। Clipboard History ব্যবহারের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা
একই Microsoft Account ব্যবহার করা একাধিক Windows যন্ত্রে Clipboard History মিলিয়ে নেওয়ার সুবিধাও রয়েছে। তবে এতে অনুলিপি করা তথ্য Cloud-এর মাধ্যমে অন্য যন্ত্রে পৌঁছাতে পারে। তাই Password, ব্যাংকিং তথ্য, জাতীয় পরিচয়পত্রের নম্বর, গোপন নথি বা নিরাপত্তা Code Clipboard History-তে দীর্ঘ সময় রাখা ঠিক নয়।
কাজ শেষে Windows + V খুলে Clear all নির্বাচন করা যায়। Pin করা বিষয় আলাদাভাবে মুছতে হবে। অফিস বা অন্যের সঙ্গে ভাগাভাগি করা কম্পিউটারে Clipboard History ব্যবহারের সময় আরও সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
৬. Windows Search দিয়ে প্রয়োজনীয় বিষয় দ্রুত খুঁজুন
কম্পিউটারে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার, ফাইল বা কোনো সেটিংস খুঁজতে বারবার বিভিন্ন জায়গায় যাওয়ার প্রয়োজন নেই। কিবোর্ডে Windows + S চাপলে Windows Search খুলবে। এখান থেকে স্থাপিত সফটওয়্যার, সংরক্ষিত ফাইল এবং Windows-এর বিভিন্ন সেটিংস দ্রুত খুঁজে পাওয়া যায়।
Start Menu খুলে সরাসরি প্রয়োজনীয় বিষয়ের নাম লেখা শুরু করলেও অনুসন্ধানের ফল দেখা যাবে। যেমন, Storage, Bluetooth, Display বা Clipboard লিখলে সংশ্লিষ্ট সেটিংসের পাতায় যাওয়ার সুযোগ পাওয়া যায়।
- Nulled
- Tech
- Job
- Hacking Course
- News
- Out Knowledge
- Status
- Quotes
- Caption
- Stories
- Education
- Shopping
- Entertainment
- Lifestyle
- Business
- Travel
- Opinion
- Art
- Causes
- Crafts
- Dance
- Drinks
- Film
- Fitness
- Food
- Games
- Gardening
- Health
- Home
- Literature
- Music
- Networking
- Other
- Party
- Religion
- Shopping
- Sports
- Theater
- Wellness