কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় নেয় কেন? কারণ শনাক্ত ও সমাধানের উপায় - Tech Tips Desk – বাংলা প্রযুক্তি সংবাদ, মোবাইল রিভিউ ও টিপস
কম্পিউটারের পাওয়ার বাটন চাপার পর স্বাভাবিক সময়ের মধ্যে Windows চালু না হলে কাজের শুরুতেই বিরক্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। কারও ক্ষেত্রে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের লোগোতেই দীর্ঘ সময় আটকে থাকে, কারও কম্পিউটারে Windows-এর ঘূর্ণমান চিহ্ন অনেকক্ষণ দেখা যায়। আবার অনেকের কম্পিউটারে Desktop দেখা গেলেও Taskbar, Folder কিংবা Browser ব্যবহারের উপযোগী হতে আরও কয়েক মিনিট অপেক্ষা করতে হয়।
এ ধরনের সমস্যাকে সাধারণভাবে ধীরগতির চালু হওয়া বা Slow Booting সমস্যা বলা হয়। তবে কম্পিউটার চালু হতে দেরি হলেই Windows নষ্ট হয়ে গেছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়। অনেক সময় অপ্রয়োজনীয় Startup Apps, জমে থাকা অস্থায়ী ফাইল, অসম্পূর্ণ Update, ধীরগতির HDD, কম RAM কিংবা Background-এ চলতে থাকা একাধিক Software সমস্যাটির জন্য দায়ী থাকে।

অতিরিক্ত Startup Apps, ধীর HDD, কম RAM, Windows Update বা Storage সমস্যার কারণে কম্পিউটার চালু হতে বেশি সময় নিতে পারে।
অন্যদিকে HDD বা SSD-এর স্বাস্থ্য খারাপ হওয়া, Driver-এর ত্রুটি, ক্ষতিকর Software অথবা Hardware শনাক্ত করতে দেরি হওয়ার মতো তুলনামূলক গুরুতর কারণও থাকতে পারে। তাই শুরুতেই Windows নতুন করে স্থাপন বা যন্ত্রাংশ পরিবর্তন না করে, ধাপে ধাপে সমস্যার জায়গাটি শনাক্ত করাই নিরাপদ পদ্ধতি।
সম্পাদকীয় নোট: কম্পিউটারের Model, Windows সংস্করণ ও Hardware অনুযায়ী Setting-এর নাম বা অবস্থান কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকলে Repair বা Recovery ব্যবস্থা ব্যবহারের আগে Backup রাখুন।
ধীরগতির কারণ শনাক্ত ও নিরাপদ প্রাথমিক সমাধান
কম্পিউটার চালু হওয়ার পুরো প্রক্রিয়াটি একাধিক ধাপে সম্পন্ন হয়। পাওয়ার বাটন চাপার পর Motherboard প্রথমে সংযুক্ত যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করে। এরপর BIOS বা UEFI নির্ধারিত Storage থেকে Windows চালু করে। Windows প্রয়োজনীয় Driver ও System Service প্রস্তুত করার পর Login Screen দেখায়। ব্যবহারকারী প্রবেশ করার পর Startup Apps এবং অন্যান্য Background Service চালু হয়।
এই ধাপগুলোর যেকোনো একটিতে সমস্যা হলে সম্পূর্ণ চালু হওয়ার সময় বেড়ে যেতে পারে। তাই সমাধানে যাওয়ার আগে দেরিটি ঠিক কোন পর্যায়ে হচ্ছে, সেটি খেয়াল করা জরুরি।
কম্পিউটার চালু হতে কত সময় লাগছে তা আগে লক্ষ্য করুন
অনেক ব্যবহারকারী কম্পিউটার ধীর মনে হলেও প্রকৃতপক্ষে কত সময় লাগছে, তা পরীক্ষা করেন না। সমস্যা বোঝার জন্য একবার ঘড়ি বা মোবাইলের সময় গণনার ব্যবস্থা ব্যবহার করা যেতে পারে।
পাওয়ার বাটন চাপার পর থেকে Login Screen আসতে কত সময় লাগছে এবং Password দেওয়ার পর Desktop পুরোপুরি ব্যবহারের উপযোগী হতে আরও কত সময় লাগছে—দুটি সময় আলাদাভাবে লিখে রাখুন। এরপর কোনো পরিবর্তন করার পর আবার একইভাবে সময় মাপলে সমাধানটি কার্যকর হয়েছে কি না বোঝা সহজ হবে।
Startup-এর পর প্রথম কয়েক সেকেন্ড Storage, Processor বা Memory-এর ব্যবহার বেশি থাকা অস্বাভাবিক নয়। Windows তখন প্রয়োজনীয় Service, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যবহারকারীর নির্ধারিত Software চালু করে। তবে কয়েক মিনিট ধরে কম্পিউটার ব্যবহার করা না গেলে কারণ খুঁজে দেখা প্রয়োজন।
কম্পিউটারের গতি বাড়ানোর উপায়: বাস্তবে উপকারী কাজ ও নিরাপদ সমাধান
প্রস্তুতকারকের লোগো দেখানোর আগেই দেরি হলে
পাওয়ার বাটন চাপার পর Monitor-এ ছবি আসতে অথবা প্রস্তুতকারকের লোগো দেখাতে বেশি সময় লাগলে সমস্যাটি Windows-এর ভেতরে নাও থাকতে পারে। এ পর্যায়ে Motherboard সাধারণত RAM, Storage, Keyboard এবং অন্যান্য সংযুক্ত Hardware পরীক্ষা করে।
এ ধরনের দেরির সম্ভাব্য কারণ হলো—
- RAM ঠিকভাবে সংযুক্ত না থাকা
- HDD বা SSD শনাক্ত করতে সময় লাগা
- External USB Device থেকে সাড়া পেতে দেরি হওয়া
- BIOS বা UEFI-এর Boot Order ভুল থাকা
- Motherboard বা Power Supply-সংক্রান্ত সমস্যা
- একাধিক Storage Drive-এর কোনো একটিতে ত্রুটি থাকা
প্রথম পরীক্ষায় Pen Drive, External Hard Drive, Card Reader, Printer, USB Hub ও Game Controller খুলে রেখে কম্পিউটার চালু করা যেতে পারে। শুধু প্রয়োজনীয় Keyboard, Mouse ও Monitor সংযুক্ত রাখুন। এতে চালু হওয়ার সময় কমে গেলে সংযুক্ত যন্ত্র বা USB Port-এর কোনো একটি সমস্যার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
তবে BIOS-এর সেটিংস না বুঝে পরিবর্তন করা উচিত নয়। ভুল Boot Mode, Storage Mode বা Security Setting পরিবর্তন করলে Windows চালুই নাও হতে পারে।
Windows-এর লোগোতে দীর্ঘ সময় আটকে থাকলে
প্রস্তুতকারকের লোগো দ্রুত চলে গেলেও Windows-এর লোগো বা ঘূর্ণমান চিহ্ন দীর্ঘ সময় দেখা গেলে Operating System, Driver অথবা Storage-সংক্রান্ত কারণ খুঁজতে হবে।
সম্ভাব্য কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে—
- ধীরগতির বা দুর্বল HDD
- Windows Update অসম্পূর্ণ থাকা
- Storage Controller বা Chipset Driver-এর ত্রুটি
- Windows-এর প্রয়োজনীয় ফাইলে সমস্যা
- System Drive-এ পর্যাপ্ত জায়গা না থাকা
- HDD বা SSD থেকে তথ্য পড়তে অস্বাভাবিক দেরি হওয়া
- নতুন Software বা Driver স্থাপনের পর সংঘাত তৈরি হওয়া
Windows-এর Update সম্পন্ন করার জন্য অনেক সময় Restart প্রয়োজন হয়। শুধু কম্পিউটার বন্ধ করে আবার চালু করলে সব Update সম্পন্ন নাও হতে পারে। Microsoft-এর তথ্য অনুযায়ী, Fast Startup চালু থাকলে সাধারণ Shut down এবং Restart একইভাবে কাজ করে না; Restart-এর সময় পূর্ণ System Startup সম্পন্ন হয়। (Microsoft Support)
তাই সমস্যা দেখা দিলে প্রথমে সব প্রয়োজনীয় কাজ সংরক্ষণ করে Start > Power > Restart নির্বাচন করুন। বারবার পাওয়ার বাটন চেপে কম্পিউটার বন্ধ করা থেকে বিরত থাকুন।
Login-এর পর Desktop ধীর থাকলে
Password দেওয়ার পর দ্রুত Desktop দেখা গেলেও যদি Icon, Taskbar, Start Menu বা Browser কাজ করতে দেরি করে, তাহলে অধিকাংশ ক্ষেত্রে Startup Apps ও Background Service-এর দিকে নজর দিতে হবে।
কম্পিউটার ব্যবহারের সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন Software স্থাপন করা হয়। এসব Software-এর অনেকগুলো ব্যবহারকারীর অজান্তেই Windows চালুর সঙ্গে নিজেদের চালু হওয়ার অনুমতি নেয়। ফলে Windows-এর পাশাপাশি Chat Software, Game Launcher, Cloud Storage, Software Updater, Printer Utility এবং অন্যান্য সহায়ক প্রোগ্রাম একসঙ্গে চালু হতে থাকে।
Microsoft জানিয়েছে, স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হওয়া Application কম্পিউটারের Startup-এর সময় এবং Background Resource-এর ব্যবহার বাড়াতে পারে। Windows-এর Task Manager থেকে এসব Application-এর Startup Impact-ও দেখা যায়। (Microsoft Support)
অপ্রয়োজনীয় Startup Apps বন্ধ করুন
ধীরগতির কম্পিউটারে এটি সাধারণত প্রথম দিকের সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পরীক্ষা। এর জন্য নতুন কোনো Cleaner বা Booster Software স্থাপন করতে হবে না।
Task Manager থেকে বন্ধ করার নিয়ম
১. Keyboard থেকে Ctrl + Shift + Esc চাপুন।
২. Task Manager খুললে Startup Apps অংশে যান।
৩. তালিকায় কোন কোন Application Enabled আছে দেখুন।
৪. প্রয়োজন নেই এমন Application নির্বাচন করুন।
৫. Disable নির্বাচন করুন।
৬. কাজ শেষ হলে কম্পিউটার Restart করুন।
Windows-এর সংস্করণভেদে Task Manager-এর বিন্যাস কিছুটা আলাদা হতে পারে। Windows Settings থেকেও Apps > Startup অংশে গিয়ে একই ধরনের নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায়। Microsoft-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো Application Disable করলে সেটি Windows-এ প্রবেশের সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হবে না; প্রয়োজন হলে পরে স্বাভাবিকভাবে খুলে ব্যবহার করা যাবে। (Microsoft Support)
সাধারণত প্রয়োজন না থাকলে যেসব Application-এর স্বয়ংক্রিয় চালু হওয়া বন্ধ করা যেতে পারে—
- বিভিন্ন Chat Application
- Game Launcher
- Music Streaming Application
- Meeting Software
- Adobe বা অন্য Software-এর Update Helper
- তৃতীয় পক্ষের Cloud Storage
- পুরোনো Printer Utility
- RGB Light নিয়ন্ত্রণকারী Software
- অনেক দিন ব্যবহার করা হয়নি এমন Application-এর Helper
তবে তালিকার নাম না বুঝে সবকিছু বন্ধ করা উচিত নয়। Graphics, Audio, Touchpad, Antivirus, System Security অথবা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় Hardware Service বন্ধ করলে কিছু সুবিধা কাজ না করতে পারে।
কোনো Application সম্পর্কে নিশ্চিত না হলে প্রথমে সেটির নাম লিখে রাখুন। এরপর যাচাই না করা পর্যন্ত সেটি চালু রাখাই নিরাপদ।
পিসি অন হচ্ছে কিন্তু ডিসপ্লে আসছে না? ধাপে ধাপে কারণ খুঁজে সমাধান করুন
System Drive-এ জায়গা কম আছে কি না দেখুন
Windows যে Drive-এ স্থাপন করা থাকে, সাধারণত সেটি C: Drive হিসেবে দেখা যায়। এই Drive প্রায় পূর্ণ হয়ে গেলে Windows-এর অস্থায়ী ফাইল তৈরি, Update সংরক্ষণ, Virtual Memory ব্যবহার এবং বিভিন্ন Application পরিচালনায় সমস্যা হতে পারে।
Drive-এর অবস্থা দেখার জন্য—
১. File Explorer খুলুন।
২. This PC নির্বাচন করুন।
৩. C: Drive-এর নিচে কত জায়গা খালি আছে দেখুন।
৪. Drive-এর ধারণক্ষমতার চিহ্ন লাল দেখালে অপ্রয়োজনীয় ফাইল সরানোর উদ্যোগ নিন।
Microsoft-এর মতে, Storage Sense অস্থায়ী ফাইল এবং Recycle Bin-এ থাকা অপ্রয়োজনীয় উপাদান সরিয়ে জায়গা খালি করতে পারে। Windows-এর কর্মক্ষমতা উন্নত করার নির্দেশনাতেও পর্যাপ্ত Storage খালি রাখার কথা বলা হয়েছে। (Microsoft Support)
অস্থায়ী ফাইল পরিষ্কারের নিয়ম
১. Settings খুলুন।
২. System > Storage অংশে যান।
৩. Temporary Files অথবা Cleanup Recommendations নির্বাচন করুন।
৪. Windows কোন ধরনের ফাইল সরানোর পরামর্শ দিচ্ছে তা দেখুন।
৫. প্রয়োজনীয় ফাইল বাদ দিয়ে বাকি অংশ পরিষ্কার করুন।
এখানে Downloads নির্বাচন করার আগে সতর্ক থাকুন। Downloads Folder-এ ব্যক্তিগত Document, Software, ছবি কিংবা গুরুত্বপূর্ণ ফাইল থাকতে পারে। শুধু জায়গা খালি করার জন্য না বুঝে সবকিছু নির্বাচন করা ঠিক হবে না।
Storage Sense স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু রাখা যায়। তবে কত দিনের পুরোনো Recycle Bin বা Downloads-এর ফাইল মুছে ফেলা হবে, সেটি নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারণ করা উচিত।
HDD নাকি SSD ব্যবহার করছেন তা জানুন
পুরোনো কম্পিউটারে Windows চালু হতে দেরি হওয়ার অন্যতম কারণ Mechanical Hard Disk বা HDD। এতে তথ্য পড়া ও লেখার জন্য ভেতরের ঘূর্ণমান অংশ ব্যবহার করা হয়। SSD-তে এমন চলমান অংশ নেই এবং সাধারণভাবে তথ্য পড়ার সময়ও কম লাগে।
Task Manager খুলে Performance অংশে গেলে অনেক কম্পিউটারে Storage-এর পাশে HDD বা SSD লেখা দেখা যায়। না দেখা গেলে কম্পিউটারের Model ও Storage-এর নাম অনুযায়ী প্রস্তুতকারকের তথ্য পরীক্ষা করা যেতে পারে।
HDD ব্যবহৃত হলেই সেটি নষ্ট—এমন নয়। তবে পুরোনো HDD-তে Windows, Antivirus, Update এবং Startup Apps একসঙ্গে কাজ শুরু করলে Disk Usage দীর্ঘ সময় বেশি থাকতে পারে। ফলে Desktop দেখা গেলেও Folder বা Browser খুলতে দেরি হয়।
অন্যদিকে SSD থাকলেও Startup Apps, কম Storage, Driver সমস্যা বা ক্ষতিকর Software-এর কারণে কম্পিউটার ধীর হতে পারে। তাই SSD দেখেই অন্য কারণগুলো বাদ দেওয়া যাবে না।
Task Manager থেকে Disk Usage পরীক্ষা করুন
কম্পিউটার চালু হওয়ার পর Ctrl + Shift + Esc চেপে Task Manager খুলুন। Processes অংশে CPU, Memory ও Disk-এর ব্যবহার দেখা যাবে।
Disk শিরোনামে চাপলে যে Application সবচেয়ে বেশি Storage ব্যবহার করছে, সেটি উপরে চলে আসবে। Startup-এর পর Windows Update, Antivirus Scan বা Cloud Synchronization-এর কারণে কিছু সময় ব্যবহার বেশি থাকতে পারে।
তবে দীর্ঘ সময় Disk Usage ১০০ শতাংশ থাকলে নিচের কারণগুলো বিবেচনায় নিতে হবে—
- Windows Update কাজ করছে
- Antivirus সম্পূর্ণ পরীক্ষা চালাচ্ছে
- OneDrive বা অন্য Cloud Service ফাইল মিলিয়ে নিচ্ছে
- Windows Search নতুন ফাইল তালিকাভুক্ত করছে
- RAM কম থাকায় Virtual Memory বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে
- HDD দুর্বল বা অতিরিক্ত ধীর হয়ে গেছে
- কোনো Application অস্বাভাবিকভাবে Storage ব্যবহার করছে
শুধু ১০০ শতাংশ দেখা যাচ্ছে বলে Task Manager থেকে অচেনা System Process বন্ধ করবেন না। আগে Process-এর নাম, কাজ এবং কতক্ষণ ধরে ব্যবহার বেশি আছে তা লক্ষ্য করুন।
অপ্রয়োজনীয় Software সরিয়ে দিন
অনেক পুরোনো Software ব্যবহার না করলেও তার Update Service, Background Process বা Scheduled Task কম্পিউটারে চালু থাকতে পারে। তাই কয়েক মাস বা বছর ধরে ব্যবহার করা হয়নি এমন Application-এর তালিকা পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
এর জন্য—
১. Settings খুলুন।
২. Apps > Installed Apps অংশে যান।
৩. তালিকাটি স্থাপনের তারিখ বা আকার অনুযায়ী সাজান।
৪. প্রয়োজন নেই এবং পরিচিত এমন Application নির্বাচন করুন।
৫. Uninstall করুন।
Microsoft-এর নির্দেশনা অনুযায়ী, Installed Apps অংশ থেকেই অধিকাংশ Application সরানো যায়। তবে কিছু System Application Settings থেকে সরানো যায় না। (Microsoft Support)
- Nulled
- Tech
- Job
- Hacking Course
- News
- Out Knowledge
- Status
- Quotes
- Caption
- Stories
- Education
- Shopping
- Entertainment
- Lifestyle
- Business
- Travel
- Opinion
- Art
- Causes
- Crafts
- Dance
- Drinks
- Film
- Fitness
- Food
- Games
- Gardening
- Health
- Home
- Literature
- Music
- Networking
- Other
- Party
- Religion
- Shopping
- Sports
- Theater
- Wellness