Sponsored

সেলফ ড্রাইভ করে ঢাকা – কক্সবাজার – ঢাকা ট্যুর

0
50

কয়েক দিন থেকেই কক্সবাজার যেতে ইচ্ছে করছিল। গরম পুরা পুরি পড়ার আগে আগে এখন সমুদ্রে নামতে সুবিধে হবে। আর কিছুদিন পরই গরমের কারণে সৈকতে থাকা যাবে না। এর আগেও একবার কক্সবাজার ড্রাইভ করে গিয়েছি। তবে তা ছিল আমাদের বাড়ি থেকে। লক্ষ্মীপুর – কক্সবাজার – ঢাকা এভাবে। ভাবলাম একবার ঢাকা থেকেও ট্রাই করি।

১৪ তারিখ সোমবার সকাল ৬টার দিকে আমরা রওনা দেই। আমি আর নাঈমা। বসুন্ধরা থেকে রামপুরা হয়ে বনশ্রীর পাশ দিয়ে একটা রোড গিয়েছে। ঐ রোড সাজেস্ট করছিল গুগল। ঐ রোড দিয়ে আমরা ঢাকা চট্রগ্রাম হাইওয়েতে গিয়ে উঠি। সকাল সকাল কিছু ট্রাক আর অটো রিক্সা ছাড়া অন্যান্য গাড়ি খুব কম ছিল। খুব সহজেই আমরা পৌঁছে যেতে পারি চট্রগ্রাম রোডে। কুমিল্লা পৌঁছাই সকাল নয়টার দিকে। ঐখানে হোটেল তাজমহলে সকালের নাস্তা করে নেই। এর আগে আইরিশ হিল নামে একটা রেস্টুরেন্টে ঢুকি। গিয়ে দেখি ওরা এখনো সার্ভিস শুরু করেনি। সব কিছু পরিষ্কার করছিল।

পরোটা, ডিম, ভাজি, চা দিয়ে নাস্তা সারি। এরপর আবার রওনা দেই। রাস্তায় গাড়ির চাপ বলা যায় কমই ছিল। আমরা প্রায় একটার দিকে চট্রগ্রাম পৌঁছাই। চট্রগ্রাম মেজবান খাওয়ার ইচ্ছে ছিল। কিন্তু গুগল আমাদের ফ্লাইওভার সাজেস্ট না করে করেছিল নিচ দিয়ে। আমিও ভাবলাম হয়তো কোন শর্টকাট দেখাচ্ছে। জ্যাম খেতে খেতে মেজবান খাওয়ার ইচ্ছে চলে গিয়েছিল। শাহ আমানত ব্রিজের আগে কয়েকটা রেস্টুরেন্ট ছিল। ভাবলাম ওইখানে লাঞ্চ করব। কিন্তু ভেতরে ঢুকে পরিবেশ পছন্দ না হওয়াতে আবার রওনা দিলাম। এই দিকে প্রচুর ক্ষুদাও লেগেছে। কোন রেস্টুরেন্ট চোখে পড়ে না। এক লোক দেখলাম ছোট ছোট তরমুজ বিক্রি করছিল একটা বাজারে। আমরা একটা নিয়ে দুইজন মিলে খেয়ে নিলাম। ভালোই লাগল, খুদাও কমল। চট্রগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার পথে ৫০ কিলোমিটার দূরে একটা রেস্টুরেন্ট পড়ল। রোড ভিউ নামে। দারুণ একটা রেস্টুরেন্ট।

রোড ভিউ রেস্টুরেন্টে ঢুকে ফ্রেশ হয়ে অর্ডার দিলাম। রূপচাঁদা, চিকেন, ডাল, ভাত। রূপচাঁদা খুবি ছোট সাইজ, তেমনি চিকেনও। রূপচাঁদা ৩৫০ টাকা রেখেছিল, চিকেন ২০০টাকা।  তবে রান্না খুবি চমৎকার। খেতে দারুণ লেগেছিল। খাওয়া দাওয়া করে চা খেলাম। ওদের লেবু চা কি যে সুন্দর করে সার্ভ করে। ভালো লেগেছে খেতে। এছাড়া ভিউও সুন্দর ঐ রেস্টুরেন্টের। আমরা আছরের নামাজ পড়লাম। ছাদে সুন্দর নামাজের ব্যবস্থা আছে। ছাদের ভিউও সুন্দর। এরপর আবার রওনা দিলাম।

রোড ভিউ রেস্টুরেন্টের লাল চা

চট্রগ্রাম থেকে কক্সবাজার যাওয়ার রোডের মাঝে কোন ডিভাইডার নেই। ভালোই কষ্ট হচ্ছে ড্রাইভ করতে। আবার এই রোডে মারসা নামে যে বাস চলে, এগুলো খুবি বেপরোয়া ভাবে ড্রাইভ করে। সামান্যতম সরে না গাড়ি দেখলে। ওদের দেখলে নিজ থেকেই রাস্তার এক পাশে সরে যেতাম। মাঝে মাঝে রাস্তা থেকে নিচেও নেমে যেতে হয়েছে।

কক্স বাজার যাওয়ার পথে আরেকটা সুন্দর রেস্টুরেন্ট রয়েছে ফোর সিজন নামে। ঐখানে  গিয়ে চা খেয়ে নিয়েছি। এরপর মাত্র ৭০ কিলোমিটারের মত দূরত্ব বাকি। এই বাকিটুকু রাস্তা যেন শেষ হতে চায় না। এভাবে আস্তে আস্তে ড্রাইভ করে আমরা সাড়ে ছয়টার দিকে কক্সবাজার পৌঁছাই।

স্বাগতম কক্সবাজারস্বাগতম কক্সবাজারস্বাগতম কক্সবাজার – এই লেখাটা দেখে কি যে স্বস্তি পেয়েছি, বলার বাহিরে।

সাইফুল ইসলাম সাজিন ভাইকে বলি আমরা কক্সবাজার আসছি। উনি সায়মানের সামনের দিকে আসে। কফি খেতে ইচ্ছে করছিল খুব। সায়মানে গিয়ে কফি খেয়ে নেই আমরা। এরপর হোটেলে উঠি। সাজিন ভাই উনাদের একটা হোটেলে নিয়ে যায়। কক্স হিলটন নামে। হোটেলে ব্যাগ রেখে বের হয়ে পড়ি। সুগন্ধা পয়েন্টের দিকে যাই। এখানে একটা রেস্টুরেন্টে ফিস বারবিকিউ করছিল। একটা রেড স্নেপার অর্ডার দেই। ওরা ১১০০টাকা কেজি রাখছিল। দাম বেশি মনে হচ্ছিল। টায়ার্ড থাকায় অন্য দিকে যেতে ইচ্ছে করছিল না।  প্রায় ৭০০ গ্রামের মত হয়েছে ঐ মাছটা। খাওয়া দাওয়া করে একটু বীচে হাঁটতে গেলাম। প্রচণ্ড ক্লান্ত লাগায় কিছুক্ষণ হেঁটে রুমে ফিরলাম।

সকালে হোটেল থেকে নাস্তা ছিল ওদের রুফটপে। নাস্তা সেরে বের হলাম। নতুন আরেকটা হোটেলে গিয়ে উঠলাম এরপর।হোটেল আমিন ইন্টারন্যশনালে। ঐখান থেকে বীচ কাছে, এই জন্য পরিবর্তন করা। হোটেলে ব্যাগ রেখে সমুদ্রের উদ্দেশ্যে বের হলাম। এই সময় সমুদ্রের পানি তুলনামূলক পরিষ্কার এবং নীল। বর্ষাকালে ঘোলাটে হয়ে যায় পানি। অনেকক্ষণ ধরে সমুদ্রের পানিতে ছিলাম। এরপর এসে ফ্রেস হয়ে নিলাম। খাওয়া দাওয়া করার জন্য রেস্টুরেন্ট খুঁজতেছিলাম। এখানে শালিক রেস্টুরেন্ট কাছে। ঐটাতে খেতে ইচ্ছে করছিল না। আসে পাশে আর কিছু না পেয়ে শালিকে ফিরে এলাম। রূপচাঁদা, শুটকি ভর্তা, ডাল, গরুর মাংস দিয়ে খাওয়া দাওয়া করে নিলাম। এদের খাবার আগে অনেক ভালো ছিল। এখন আর আগের মত ভালো লাগে না। দামও অনেক বেশি রাখে এখন। যেমন মাঝারি সাইজের একটা রূপচাঁদার দাম রেখেছে ৫৫০ টাকা।

খাওয়া দাওয়া করে মেরিন ড্রাইভের দিকে গেলাম। ড্রাইভ করে ইনানির দিকে গেলাম। কিছুক্ষণ ঐ দিকে থাকলাম। ফেরার পথে এক যায়গায় ডাব বিক্রি করছিল। ডাব কিনে খেলাম। এরপর মারমেইড রিসোর্টে গিয়ে বসলাম কিছুক্ষণ। কফি খেলাম। কফি এত বেশি এক্সপেন্সিভ এদের।

মারমেইডের লাতে!

কিছুক্ষণ বসে কলাতলি ফিরলাম। রুমে গিয়ে ফ্রেস হয়ে বীচের দিকে গেলাম। কলাতলিতে অনেক গুলো ফিস বারবিকিউ দোকান রয়েছে। একটাতে জিজ্ঞেস করলাম রেড স্ন্যাপার কত করে কেজি। বলল ৮০০ টাকা। যেখানে গতকাল সুগন্ধাতে ১২০০টাকা করে রেখেছে। প্রায় এক কেজি ওজনের একটা অর্ডার দিলাম। খুব সুন্দর করে বারবিকিউ করে দিলো। সাথে পরটা ছিল। মজা করে খেলাম। খেয়ে বীচের দিকে গিয়ে বীচ চেয়ারে বসলাম। অনেকক্ষণ ছিলাম ঐখানে। ভালোই লাগছিল। ব্লাডারে প্রচুর চাপ অনুভব করায় ফিরে রুমে আসতে হলো।

 

রুমে ফেরার পথে চা, এবং নান রুটি নিলাম। পেটে রাতের খাবার খাওয়ার জায়গা নেই। রুটি আর চা খেয়ে রাতের খাবার সেরে নিলাম।

পরের দিন সকালে উঠে নাস্তা করে নিলাম। নান রুটি আর নেহারি। শালিকের নেহারি দারুণ লাগল খেতে।  এরপর বীচে গেলাম। অনেকক্ষণ ধরে সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটলাম। সায়মানের সামনের দিকে বীচে ডলফিন দেখলাম। কক্সবাজার ডলফিন দেখা যায়, এটা কেউ বললে আমি বিশ্বাস করতাম না। এত বছর কক্সবাজার গিয়েছি, বলা যায় নিয়মিত। কখনোই চোখে পড়েনি। তবে এবার নিজ চোখে খুব কাছ থেকে দেখলাম। দুই তিনটে ছিল। জেট স্কি করে একজন বয়স্ক লোক আর জেট স্কির ড্রাইভার ঐ ডলপিনটির ফলো করে করে ড্রাইভ করছিল। কিছুক্ষণ পর পর ডলপিনটি লাফ দিয়ে উঠে আবার ডুব দিত। দূরে আরো দুইটা চোখে পড়ল। এখানে একবার দেখা যায় তো অনেক দূরে আবার দেখা যায়। এরকম। একটা দুইটা ডলপিন দেখে যদিও মজা নেই। ডলপিনের ঝাঁক দেখতে কি যে সুন্দর লাগে। এক ঝাঁক ডলপিনের পেছনে পেছনে জেট স্কি করে যেতে নিশ্চিত দারুণ লাগার কথা। অনেকক্ষণ সমুদ্রে থেকে রুমে এসে ফ্রেস হয়ে বের হয়ে পড়লাম হিমছড়ির উদ্দেশ্যে। নিরিবিলি কোন রেস্টুরেন্টে খাবার খাওয়া মূল উদ্দেশ্য।

হিমছড়িহিমছড়ি

হিমছড়ির পর কিছু রেস্টুরেন্ট রয়েছে। সল্ট এন্ড বাটার নাকি যেন। সুন্দর পরিবেশ। পুরাই ন্যাচারাল। তার উপর আবার দেখলাম তাদের এখানে মেজবান পাওয়া যায়। অর্ডার দিলাম। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর সার্ভ করল। সাধারত একটা মেজবানই আমাদের দুইজনের হয়ে যায়। পরে দেখলাম ভাত একজনের জন্যই দিয়েছে। দুইজন শেয়ার করে খাওয়ার মত না। এক্সট্রা একটা ভাত নিয়ে আমরা খেয়ে নিলাম। দাম একটু বেশিই বলা যায়। মেজবান সেট মেনু ৪১০ টাকা সম্ভবত। এক্সট্রা একটা ভাত ৫০ টাকা। খাওয়া দাওয়া করে বের হলাম। পাশেই মারমেইড ক্যাফে। ভাবলাম ঐখানে গিয়ে কফি খাবো। কিন্তু কফি প্রাইস ওদের রিসোর্টের প্রাইসের মতই। ৩৭৫ টাকা দিয়ে একটা লাতে খেতে আর ইচ্ছে করছিল না। চা ছিল। ওরা চা সার্ভ করবে না বলে দিলো। ফিরে এলাম কলাতলির দিকে।

রুমে গিয়ে কিছুক্ষণ রেস্ট নিলাম। সন্ধ্যায় বের হলাম। সন্ধ্যায় কলাতলি বারবিকিউ দোকানের সামনে দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় গত কালের ঐ দোকানের সেলসম্যান ছেলেটা সালাম দিল। বলল আজ খাবো কিনা। বললাম কিছুক্ষণ পর খাবো। ভাবলাম কিছুক্ষণ বীচে বসে পরে এসে খাবো। কিছুদূর যাওয়ার পর আবার সীদ্ধান্ত পরিবর্তন করে ফিরে এলাম। ভাবলাম একবারেই খেয়ে দেয়ে গিয়ে বীচে বসি।

আজ অর্ডার দিলাম একটা বড় সাইজের রূপচাঁদা এবং একটা বড় সাইজের গলদা চিংড়ি। রূপচাঁদার দাম রেখেছে কেজি প্রতি ১৩০০ টাকা। গলদা চিংড়ি দুই হাজার টাকা কেজি। দুইটা মিলে প্রায় ১৭০০টাকা বিল এসেছে।

খাওয়া দাওয়া করে বীচের দিকে গেলাম। কক্সবাজার বীচে এখন খুব পাওয়ারফুল লাইট দিয়েছে। সব কিছু স্পষ্ট বুঝা যায়। সিকিউরিটি কনসার্ণ নেই বলা যায়। ইচ্ছে মত যে কোন যায়গায়, যে কোন সময় ঘুরা যায়। অনেকক্ষণ থেকে ফিরে এলাম রুমে। সাজিন ভাই আসছিল। পরে উনার সাথে কিছুক্ষণ আবার বীচে হাঁটলাম। এরপর হোটেলের ছাদে এক সাথে চা খেলাম। আড্ডা দিয়ে ফিরে এসে ঘুমিয়ে নিলাম। সকালে ইনশাহ আল্লাহ কক্সবাজার ছেড়ে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিব।

প্রিয় কক্সবাজারপ্রিয় কক্সবাজার

সকালে ঘুম থেকে একটু দেরি করেই উঠেছি। যেন ভালো রেস্ট হয় এবং ড্রাইভ ভালো ভাবে করতে পারি। ঘুম থেকে উঠে এরপর নাস্তা করে নিলাম। এরপর রুম চেকআউট করে বের হয়ে পড়লাম ঢাকার উদ্দেশ্যে।

রাস্তায় প্রচুর গাড়ি। খুব একটা দ্রুত যাওয়া যায় না। আমরা ঐ দিনের মত রোড ভিউ রেস্টুরেন্টে এসে থামলাম। লাস্ট দিন ওদের খাবার ভালো লাগায় আজও এলাম। সমস্যা হচ্ছে আজ ওদের এত বেশি ভিড়। ১৭ই মার্চ। তিনদিন ছুটি একটানা। সবাই ঢাকা ছেড়ে সম্ভবত কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে। কেউ পৌঁছে গিয়েছে। কেউ পথে। তো রেস্টুরেন্টে যাওয়ার পর বলল রূপচাঁদা হবে না। এরপরও চেষ্টা করবে। অর্ডার দেওয়ার পর আমাদের শুধু একটা বীফ এবং একটা ডাল এনে দিয়ে বলল আর কিছু নেই। ভর্তাও শেষ। পরে আরেকটা বিফ নিয়ে খাওয়া দাওয়া শেষ করি।

এত ভিড় দেখে চায়ের কথা বলতেও লজ্জা লাগছিল। একজন ওয়েটারকে জিজ্ঞেস করলাম চা খাওয়া যাবে কিনা। বলল অবশ্যই স্যার। তারপর চা এনে দিল। আমি অর্ডার দিয়েছিলাম লাল চা। একজন এনে দিল দুধ চা। ওয়েটারকে বললাম সমস্যা নেই, দুধ চাই খাই। দুধ চা খেয়ে দেখি এত বেশি মজার। পরে আবার দেখি লাল চাও এনে দিল আরেকজন। ভালোই হলো। দুই রকম চাই টেস্ট করা হলো।

চট্রগ্রাম পৌঁছাই বিকেলে। চট্রগ্রাম শহর পার হতে হতে সন্ধ্যা হয়ে যায়। মেজবান রেস্টুরেন্ট একটা পথে পড়ায় ওদের থেকে একটা মেজবান পার্সেল করে নেই।

Sponsored
Sponsored
Search
Categories
Read More
Nulled
XCash v2.0 - Cross Platform Mobile Wallet Application | Agent App - Nulled PHP Scripts
XCash v2.0 – Cross Platform Mobile Wallet Application | Agent App Source Code Free...
By Nettumi 2026-09-17 18:03:51 0 54
Nulled
JobStock - NextJs Job Listing, Job Portal Landing & Admin Dashboard Template - Nulled PHP Scripts
JobStock – NextJs Job Listing, Job Portal Landing & Admin Dashboard Template Free...
By Nettumi 2026-09-17 17:44:01 0 281
Job
৩০০ শূন্য পদে আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ প্রকাশ
3.9/5 - (20 votes)☰ মোট পদের ক্যাটাগরি০১👥 মোট শূন্যপদ৩০০ জন আবেদনের শেষ দিন ১৩ জুন ২০২৬ ইং,...
By Nettumi 2026-09-24 18:43:29 0 65
Job
২১ পদে জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি ২০২৬ | NIYD Job Circular 2026
5/5 - (1 vote)জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (NIYD) কর্তৃপক্ষ হতে জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট...
By Nettumi 2026-10-03 17:26:06 0 100
Nulled
Books Cart - Premium Book Store Blogger Template
Books Cart – Premium Book Store Blogger Template Free Download. Books Cart Blogger...
By Nettumi 2026-09-18 03:51:55 0 77
‎ ‎ ‎
Nettumi https://nettumi.com