Sponsored

পাহাড় কন্যা ভুটান ভ্রমণ

0
62

ফ্লাইট

ভুটান যাওয়ার জন্য ৬ তারিখ সকাল সাড়ে নয়টায় ফ্লাইট হওয়ার কথা ছিল। আগের দিন বিকেলে ফোন করে জানানো হয় টেকনিক্যাল সমস্যার কারণে ফ্লাইট ক্যানসেল। ডিসেম্বরের ১৮ তারিখে টিকেট কিনে রেখেছিলাম। টিকেট কেনার পর সময় গুলো কেন জানি যেতে চায় না। অপেক্ষা। এখন আবার ফ্লাইট ক্যানসেল। জানালো ৭ তারিখে রিসিডিউল করা হয়েছে।

চার দিন ঘুরার সময় নিয়ে টিকেট কেটেছিলাম। এখন সব এলো মেলো হয়ে যাবে। ৭ তারিখে যদি ফ্লাইট হয়, তাহলে ১০ তারিখে ফিরলে ঠিক মত ঘুরা হবে না। তিন দিন সময় থাকবে হাতে। আবার ১০ তারিখের পরের রিটার্ন ফ্লাইট হচ্ছে ১২ তারিখে।

৭ তারিখ সকাল সকাল রেডি হয়ে বের হয়ে পড়লাম। বাসা থেকে এয়ারপোর্ট আসতে মাত্র ১০ মিনিট লেগেছে! সম্ভবত সাড়ে ছয়টায় পৌঁছে গিয়েছি, ফ্লাইট সাড়ে নয়টায়। এত আগে আগে না আসলেও হতো। যাই হোক, কফি স্টল থেকে কফি নিয়ে অপেক্ষা করতে লাগলাম।

চেকইন শুরু হলে বোর্ডিং পাস নিলাম। ইমিগ্রেশন ফরম পূরণ করে ইমিগ্রেশন পার হলাম। কয়েক দিন আগে ইন্দোনেশিয়াতে যাওয়ার সময় যে ইমিগ্রেশন অফিসার ছিল, আজও উনি। ইমিগ্রেশন শেষে অপেক্ষা, ফ্লাইটের জন্য। প্রায় দেড় ঘন্টার মত সময় হাতে আছে। সব ঝামেলা শেষ। তাই ভালো।

প্রথম দিন

ভুটানে একটা মাত্র ইন্টারন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, এবং তা পারতে। এদের রাজধানী হচ্ছে থিম্পুতে। পারো এয়ারপোর্ট ইন্টারন্যাশনাল হলেও ছোট। আর ছোট হলেও পরিপাটি। পুরা এলাক পাহাড়ি হওয়াতে কোন সমতল ভূমি নেই। ভুটানে ঢুকার পর একটা নদীর উপর দিয়ে বিমান ঢুকছিল। মনে হচ্ছিল যেন যে কোন সময়ই পাহাড়ের সাথে লেগে যাবে। নদীর উপর দিকে এঁকে বেঁকে এক সময় পারো এয়ারপোর্টে এসে নামল।

বিমান থেকে নামার পরই ঠান্ডার স্পর্শ পাওয়া যাবে। রোদ্দ্রউজ্জল দিন হওয়ার পরও কেমন ঠান্ডা। গায়ে হালকা শীতের জামা ছিল। এয়ারপোর্টের টার্মিনালে ঢুকে প্রথমেই জ্যাকেট পরে নিলাম। এরপর ইমিগ্রেশন ফরম পূরণ করে এগিয়ে গেলাম ইমিগ্রেশন করার জন্য। ইমিগ্রেশন অফিচার মর্নিং জানালো। আমি পাসপোর্ট আর ইমিগ্রেশন ফরম দেওয়ার পর কয়দিন থাকব জিজ্ঞেস করে ভিসা এবং অ্যারাইভাল সিল মেরে দিল। ইমিগ্রেশন শেষ!

আমার প্ল্যান ছিল পারোতে পরে ঘুরব। আগে থিম্পু এবং পুনাখা ঘুরে যাবো। পুনাখা যেতে হলে পারমিশন লাগে, আর তা পেতে হলে থিম্পু ইমিগ্রেশন অফিস থেকে নিতে হয়। আমি পৌঁছেছি রবিবারে। রবিবারে তাদের ছুটির দিন। সুতারাং আমাকে থিম্পুতে একদিন থাকতে হবে। এয়ারপোর্ট থেকে বের হয়ে খুঁজতে ছিলাম শেয়ার্ড ভাবে থিম্পু আসা যায় কিনা। ঐখানে ট্যাক্সি ছিল, কিন্তু একা ট্যাক্সি নিয়ে গেলে ১৫০০ রুপির মত দিতে হবে। ট্যাক্সি ড্রাইভারকে জানালাম আমি শেয়ার্ড ভাবে যেতে চাচ্ছি। ওরা বলল এখান থেকে শেয়ার্ড ভাবে যাওয়া যাবে না। আমি ভাবলাম উনারা শেয়ার্ড ভাবে না গেলে আমি দেখি ম্যানেজ করতে পারি কিনা। একই ফ্লাইটে আসা দুইজন থিম্পুতে যাবে। তাদের সাথে যাওয়া যাবে কিনা জিজ্ঞেস করলাম, তারা রাজি হলো। বেঁকে বসল ট্যাক্সি ড্রাইভাররা। এখান থেকে তারা শেয়ার্ড ভাবে যেতে দিবে না।

এয়ারপোর্টে এক ভদ্রলোকের সাথে কথা হয়েছে। মাননুন কাদের, সাউথটেক লিমিটেডের MD। ভুটানে সফটওয়ার বিজনেস আছে উনাদের। আমাকে কিছু টিপস দিল। যেমন বলল অনেক উঁচু জায়গা হওয়ার কারণে বাতাসে অক্সিজেন কম। আর তাই মাথা ব্যাথা করবে। আর তখন বেশি বেশি করে শ্বাস নিতে হবে। এছাড়াও বিমানে বসেও কিছুক্ষণ কথা হলো। বলল বিমান থেকে এভারেস্ট দেখা যাবে। আমি জিজ্ঞেস করলাম কোন পাশ থেকে দেখা যাবে। আমাকে দেখিয়ে দিল। ঢাকা থেকে ভুটান যেতে হাতের বাম পাশ থেকে দেখা যাবে। আর ফেরার পথে ডান পাশ থেকে। আমি গিয়ে আমার সিটে বসলাম। আমার সিটও বাম পাশে ছিল, উইন্ডো সিট। যদিও বিমানে যাত্রী অনেক কম ছিল, যে কোন জায়গায় চাইলেই বসা যেতো।

বিমান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা

ট্যাক্সি ভাড়া না করে এয়ারপোর্ট থেকে পরে আমি হাঁটা শুরু করলাম। কিছুদূর হাঁটার পরই একট্যা ট্যাক্সি পাশে এসে দাঁড়ালো। শেয়ার্ড ভাবে ৮০০ রুপি চাইলো থিম্পু যাওয়ার জন্য। আমি ৪০০ বললাম। শেষে রাজি হলো। প্রায় একটার দিকে থিম্পুতে পৌঁছালাম।

ভুটানের কারেন্সি হচ্ছে গুলট্রাম (ngultrum, nu)। ইন্ডিয়ান রুপি এবং গুল্ট্রামের মান একই। যে কোন জায়গায় একই সাথে ইন্ডিয়ান রুপি বা গুলট্রাম ব্যবহার করা যায়। ভুটান গিয়েই যেন মানি এক্সচেঞ্জের সমস্যা না পড়ি, তাই কিছু ইন্ডিয়ান রুপি নিয়ে গিয়েছিলাম।

পাহাড়ের পাশে দিয়ে আঁকা বাঁকা রাস্তা ধরে চলছি। পাহাড়ের কিছু কিছু অংশ এত সুন্দর, মনে হচ্ছিল কোন এক আর্কিটেক্টের ডিজাইনে সুন্দর করে তৈরি করা। কিছু কিছু এরিয়া গেম অফ থ্রোন্সের ড্রাগনস্টোনের মত।

পারো থেকে থিম্পু যাওয়ার রাস্তা

থিম্পুতে পৌঁছানোর পরের কাজ হচ্ছে হোটেল খুঁজে নেওয়া। যেখানে ট্যাক্সি আমাকে নামিয়ে দিল, এখানেই প্রচুর হোটেল রয়েছে। এটাকে মিড টাউন বলে সম্ভবত। লা মেরেডিয়ানও ছিল আরকি পাশে। যদিও আমি সাধারণ একটা হোটেলে উঠলাম। নাম Hotel Ghasel, ৭৫০ রুপি একটা সিঙ্গেল রুম। এই হোটেলের বিশেষত্য হচ্ছে এদের রেস্টুরেন্ট পিউর ভেজ। আমরা যারা হালাল খাবার খুঁজি, তারা কোথাও ঘুরতে গিয়ে হালাল খাবার খুঁজে পেলে তো পেলেন। না পেলে ভেজ খাবার খুঁজে নিতে পারেন। ব্যাগ রেখে হোটেলের রেস্টুরেন্টে গেলাম। এরপর ভেজিটাবল ফ্রাইড রাইস আর একটা মিক্স ভেজ নিয়ে দুপুরের খাবার খেয়ে নিলাম।

খাবার শেষে বের হয়ে পড়লাম ঘুরার উদ্দেশ্যে। এর মধ্যে একটা সিম কিনে নিলাম। সিম এবং ডাটা মিলে ২৫০ রুপির মত লেগেছে। সিম কিনতে পাসপোর্টের ফটোকপি লাগে।

হোটেলের পাশেই ন্যাশনাল মেমরিয়াল কর্টেন। কর্টেনের ভেতর ঢুকলাম। এখানে কর্টেনের চারপাশে হাঁটতে হাঁটতে তসবির মত কিছু পড়ে। একটা রুমে অনেক গুলো মোমবাতি জ্বালানো। এগুলো দেখে বের হলাম। চোখে পড়ল নোটিশ বোর্ড। বিদেশীদের জন্য ৩০০ রুপি এন্ট্রি ফি। আমি আমার ফেসকে ধন্যবাদ দিলাম। কারণ ওরা মনে করেছিল আমি ওদেরই একজন B)

ভুটান ন্যাশনাল মেমরিয়াল কর্টেন

কর্টেন থেকে বের হয়ে একটু হাঁটলাম। পরের গন্তব্য হচ্ছে বোদ্ধ পয়েন্ট। পাহাড়ি রাস্তায় কিছুক্ষণ হেঁটেই টায়ার্ড। ট্যাক্সি ডেকে ট্যাক্সিতে উঠে পড়লাম। বোদ্ধ পয়েন্ট পাহাড়ের অনেক উপরে। উপর থেকে থিম্পু শহরটা খুব সুন্দর করে দেখা যায়। খুব সাজানো একটা শহর। পরিস্কার, পরিপাটি। দেখতে সুন্দর লাগে।

পাহাড়ের উপর থেকে থিম্পু শহর

 

বোদ্ধ পয়েন্টে বোদ্ধের একটা বিশাল স্ট্যাচু। নিচ থেকেই দেখা যাচ্ছিল। সোনালী। সূর্যের আলো পড়ে চক চক করছিল। এছাড়া চারপাশে আরো অনেক গুলো মূর্তি ছিল। সব গুলোই সোনালী। বোদ্ধের মূর্তির নিছে পার্থনাগার। ঐটার ভেতরে জুতা খুলে ঢুকতে হয় এবং ফটোগ্রাফি নিষিদ্ধ। বাহির যতটা না সুন্দর ভেতরটা আরো বেশি সুন্দর। ছোট ছোট অনেক গুলো বোদ্ধ মূর্তি রয়েছে ভেতরে। শোকেচে সাজানো। পুরো ইন্টেরিওর সোনালী। অন্য রকম সুন্দর।

Buddha Dordenma statue – বৌদ্ধ পয়েন্টের গৌতম বুদ্ধের স্ট্যাচু

বোদ্ধ পয়েন্টের পাশেই একটা পার্ক ছিল। পাহাড়ের আরেকটু উপরে। বেশি না, মাত্র ২৫০ মিটার উপরে। কিন্তু একটু হাঁটার পরই পুরো শরীর বেঁকে বসল, মাথা ব্যথা করতে লাগল। কিছুদূর গিয়ে আবার নিচের দিকে নামতে লাগলাম। নিচের দিকে নামা সহজ। ট্যাক্সি খুঁজতে ছিলাম। ট্যাক্সি না পেয়ে হেঁটে হেঁটে নামছিলাম।

নামার পথে ঐখানে একটা জায়গায় ব্যয়াম করার কিছু ইন্সট্রুমেন্ট আছে। দুই একজন ব্যয়ামও করছিল। আমি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখলাম। একটা গাড়িতে দেখলাম দুইজন মাত্র। লোকাল। তাদেরকে জিজ্ঞেস করলাম তাদের সাথে নামা যাবে কিনা। বলল যাবে। আমি গাড়িতে উঠে পড়লাম। ওদের সাথে একটু আধটু কথা হলো। ড্রাইভিং সিটে যে ছিল, উনি বলল উনার ভাতিজাকে ঘুরাতে নিয়ে এসেছে। ও গ্রাম থেকে এসেছে। আর উনার একটা বেকারি আছে এখানে, থিম্পুতে। এই তো। আমাকে জিজ্ঞেস করল আমি কোথায় উঠেছি। আমি হোটেলের নাম বললাম। বলল সেখান দিয়েই যাবে উনারা। পরে আমাকে নামিয়ে দিল।

পাশেই একটা একটা কফি শপ ছিল। ঐখানে গিয়ে চা এবং কিছু স্ন্যাক্স খেনে নিলাম। তারপর হোটেলে। ততক্ষণে সন্ধ্যা হয়ে গিয়েছে। আমি আগের রাতে বলা যায় ঘুমাই নি। রেস্ট নেওয়ার দরকার হয়ে পড়ছিল। রুমে এসে ঘুমিয়ে পড়লাম। ৮টার দিকে হোটেলের কর্মী এসে জিজ্ঞেস করল ডিনার করব কিনা। আমি চিন্তা করলাম এই শীতের মধ্যে উঠে খাওয়ার থেকে না খেয়ে থাকা সহজ। বললাম না।

দ্বিতীয় দিন

ঘুম থেকে উঠে সকাল সাতটার দিকে একটু বের হয়েছি। তখন -২ ডিগ্রি তাপমাত্রা বাহিরে। আমি শরীরের সব অংশই বলা যায় ঢেকে বের হয়েছি। একটা জীবন্ত মমির মত। এরপরও তীব্র শীত লাগছিল। মনে হচ্ছিল বরফ হাতে ধরে রাখা আরো সহজ। বাহিরে মানুষও কম। দুই একজন এদিক সেদিক যাচ্ছে। গাড়িও দুই একটা। যে সব গাড়ি পার্ক করা, সেগুলোর উইন্ডশীল্ডে বরফ জমে আছে। আমি কিছুক্ষণ পরেই ফিরে এসেছি হোটেলে। এরপর নাস্তা খেয়ে রুমে গিয়ে আরেকটু ঘুমিয়ে নিলাম।

৯টার দিকে বের হয়ে গিয়েছি ইমিগ্রেশন অফিসের দিকে। হোটেল থেকে ৮০০ মিটার এর মত দূরত্ব। হেঁটেই চলে গেলাম। ভুটানের পারো এবং থিম্পু ছাড়া অন্য কোথাও যেতে হলে স্পেশাল পাস লাগে। আর তা সংগ্রহ করতে হয় ইমিগ্রেশন অফিস থেকে। ওদের ঐখানে একটা ফরম আছে, ফরমটা পূরণ করতে হয়। পাসপোর্টের ফটোকপি, ভিসার ফটোকপি আর নো অবজেকশন লেটার লিখে জমা দেওয়ার পর বলল এক ঘন্টা পর আসতে। আমি চলে গেলাম দ্রুক এয়ারের অফিসে। এসবই কাছা কাছি জায়গায়।

আমার রিটার্ণ করার তারিখ ছিল ১০ তারিখে। ৬ তারিখে আসতে পারলে ১০ তারিখে ফিরলে দারুণ হতো। ৪ দিন ভুটান ঘুরার জন্য যথেষ্ট সময়। ৩ দিনেও ঘুরা যায়। কিন্তু ট্যুরিস্ট স্পট গুলো ঘুরতে সব কিছুতে তাড়াহুড়ো করতে হবে। আমার তাড়াহুড়ো করে ঘুরতে ইচ্ছে করছিল না। তাই ১০ তারিখের পরিবর্তে ১২ তারিখে রিটার্ণ করার প্ল্যান। ১১ তারিখে ফিরতাম যদি ফ্লাইট থাকত। সমস্যা হচ্ছে প্রতিদিন ভুটান থেকে ঢাকা যাওয়ার ফ্লাইট নেই। অফিসে যাওয়ার পর বলল ২০ ডলার ফি দিতে হবে তারিখ পরিবর্তন করতে হলে। ৪ দিন আগে পরিবর্তন করলে কোন ফি দিতে হতো না। আমি বললাম আমি তো চারদিন সময় পায়নি। এছাড়া বাংলাদেশে উইকেন্ড ছিল। ভুটান আসার পর এখানেও উইকেন্ড। কোন সুযোগ ছিল না। পরে ফি ছাড়াই ফ্লাইটের তারিখ পরিবর্তন করে দিল।

দ্রুক এয়ারের অফিস থেকে আবার ইমিগ্রেশন অফিসে ফিরে গেলাম। গিয়ে দেখি পাস রেডি। নিয়ে হোটেলে এলাম। ব্যাক প্যাক নিয়ে বের হয়ে পড়লাম। গন্তব্য পুনাখা। এর আগে থিম্পু জং একটু দেখে যাবো। হোটেলের কাছেই। ৫০০ মিটারের মধ্যে। যাওয়ার পথে দেখলাম ট্রাকে বা গাড়িতে করে কমলা বিক্রি করে। দুইটা কমলা কিনে নিলাম। কমলা গুলো মিস্টি। খেতে দারুণ ছিল। জং এ স্থানীয়রা যেতে হলে ভুটানের ফরমাল ড্রেস পরে যেতে হয়। আমি দেখে চলে গেলাম বাস স্ট্যান্ডে।

ভুটান বড় বাস একটাও ছোখে পড়েনি। মাঝারি সাইজের বাস দেখলাম। আর রয়েছে প্রচুর ট্যাক্সি। বাস স্ট্যান্ড থেকে পুনাখার দিকে যাওয়ার একটি ট্যাক্সিতে উঠে পড়লাম। পুনাখা যাওয়ার রাস্তাটা বেশি সুন্দর। পাহাড় গুলোও সবুজ। চোখ জুড়ে যায়। সমস্যা হচ্ছে এত বেশি আঁকা বাঁকা রাস্তা যে, মাথা ব্যাথা শুরু হয়ে যায়। সবার হয় কিনা জানি না, কিন্তু আমার প্রচন্ড মাথা ব্যথা করছিল। প্রায় দুই ঘন্টার মত জার্নি। আমি এক সময় ভাবা শুরু করলাম কখন শেষ হবে।

Sponsored
Sponsored
Search
Categories
Read More
Nulled
TLD-List - ডোমেইন কেনার আগে সাশ্রয়ী মূল্যে সেরা ডোমেইন খুঁজে বের করার চূড়ান্ত গাইড! 🎯 | Techtunes | টেকটিউনস
ওয়েববেইজড এফটিপি ক্লায়েন্ট, নেট টু এফটিপি মো. আমিনুল ইসলাম সজীব
By Nettumi 2026-09-21 05:27:06 0 57
Tech
বিদেশী ভাষা শেখার ৬ টি সেরা ওয়েবসাইট! | Techtunes | টেকটিউনস
প্রোটেক্টেড ডিভিডি থেকে কপি/ব্যাকআপ DVD SHRINK দিয়ে দুঃসাহসী টিনটিন
By Nettumi 2026-09-25 03:58:01 0 67
Hacking Course
Unlocking Medieval Elegance: A Gothic Font Generator Guide for Unique Digital Stationery and Invites
  In an era of instant messaging and generic digital templates, the art of personal...
By Nettumi 2026-09-25 16:50:10 0 61
Tech
অ্যান্ড্রয়েড কনস্ট্রেইন্ট লেয়াউট সম্পর্কে বিস্তারিত
অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও ২.২ থেকে কনস্ট্রেইন্ট লেয়াউটের জন্য বিল্টইন সাপোর্ট যুক করেছে। আগে ডিফল্ট...
By Nettumi 2026-09-30 18:41:39 0 52
Nulled
Healthcare CRM Development: Ultimate Guide
July 16, 2024...
By Nettumi 2026-09-21 04:46:51 0 70
‎ ‎ ‎
Nettumi https://nettumi.com