কবিতা ক্যাপশন | bangla poem caption – প্রেমের, কষ্টের, ভালোবাসা ও প্রকৃতি নিয়ে কবিতা ক্যাপশন
জীবনের জটিলতাকে সরল করে ব্যাখ্যা করতে কবিতা ক্যাপশন এর জুড়ি মেলা ভার। কবিতা মানুষের শিরায় উপশিরায় প্রবাহিক হয়, তাইতো প্রেম, আবেগ, অনুযোগ, রাগ ও অনুরাগ সব কিছুই প্রকাশের জন্য আমরা কবিতার আশ্রয় নেই।
আপনিও যদি একজন কবিতা প্রেমী মানুষ হন, তাহলে আজকের এই কবিতা ক্যাপশন লেখাটি আপনার জন্য। এই লেখায় পাবেন কবিতা ক্যাপশন বাংলা কিংবা bangla poem caption; শুধু তাই নয় রয়েছে বিখ্যাত কবিতা ক্যাপশন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের, ও কবিতা ক্যাপশন কষ্টের।
কবিতা ক্যাপশন বাংলা জীবনানন্দ দাশ এর তো তুলনায় হয়না, আর তার সাথে জমিয়ে দিবে এই ভালোবাসার কবিতা ক্যাপশন বাংলা গুলি। আবার যারা সবুজকে পাহাড়কে ভালোবাসেন তাদের জন্য রইল এই প্রকৃতি নিয়ে কবিতা ক্যাপশন গুলি। শুধু তাই নয় এখানে আছে বিখ্যাত কবিতা ক্যাপশন, প্রেমের কবিতা ক্যাপশন ও ফেসবুকে ছবির ক্যাপশন কবিতা।
তাই আর দেরি কেন, আপনার ছবিকে পূর্ণতা দিন এই কবিতা ক্যাপশন গুলির মাধ্যমে।
কবিতা ক্যাপশন
মনের চরম অনুভূতির সরল বহিঃপ্রকাশ হোক এই কবিতা ক্যাপশন গুলির মাধ্যমে। মনের সব কথাকে মুক্তি দিন আপনার প্রিয় ছবির সাথে পোস্ট করে।
তোমার ঠোঁটের গোপন ভাষা,
আমার হৃদয়ে জ্বালায় আগুন।
তুমি কাছে এলে সময় থেমে যায়,
ভালোবাসা তখন ভরা ফাগুন।

তোর হাসিতে মোর মন মিশে যায়,
চোখের মায়ায় রাত ভেসে যায়।
দূরে থেকেও যেন কাছে,
তুই থাকিস, শুধু থাকিস পাশে।
হাতটা ধরতে চাই বারবার,
মনের কথা বলি চুপিচুপি।
চাঁদের আলো যেন শোনে,
আমাদের এই ভালোবাসার অভিরুপী।
শোনো হে কাজল-চোখের মাইয়া,
দিন গেলো মোর, হুঁশ হারাইয়া,
তোমার চোখে চাইয়া।
চোখে চোখ রাখলেই হায়!
বুকটা যেন জ্বলে যায়।
হাওয়ার ছোঁয়ায় মনে পড়ে,
তুই পাশে আছিস সারাক্ষণ তাই।
হঠাৎ বৃষ্টি, হঠাৎ ধোঁয়া,
মনে পড়ে তোমার কথা,
তোমার জন্য এই মানুষটা,
সব সময় করে থাকে অপেক্ষা।
তোর নাম শুনলেই অন্তরে বাজে গান,
মনে হয় সব ঠিক আছে মেরি জান।
তুই মিলে গেলে জীবনের সাথে,
সব রোদ, সব বৃষ্টি হয় মধুর হাসি মান।
তোমার ঠোঁটে ঠোঁট রাখলে
আমার বুকের ভেতর আগুন জ্বলে ওঠে।
চুম্বনের ভেতর আমি খুঁজে পাই
শত শত জন্মের ক্ষুধা।
তুমি যদি আকাশ হও, আমি হব মেঘ।
তোমার প্রতিটি ছোঁয়ায় আমি ঝরে পড়ব অনন্ত বৃষ্টির মতো,
তোমার জীবনে ভালোবাসার অমৃত নিয়ে।
কবিতা ক্যাপশন বাংলা
বন্ধুরা! কবিতা ক্যাপশন বাংলা নিয়ে আর চিন্তা না। তোমাদের জন্য নিয়ে হাজির হয়েছি সেরা রোমান্টিক প্রেমের কবিতার এক বিশাল সংগ্রহ নিয়ে।
তুই কেন তাকাস?
কেন আঁকাস, বুকের ভিতর যেন আকাশ?
কাজল চোখের মাইয়া,
তুই তাকালে থমকে যায়
আমার বুকের বাঁ পাশ।

আমরা চাইলে আড়াল করতে পারি না—
কাম আর ভালোবাসা আমাদের রক্তে মিশে আছে।
তুমি আর আমি,
দুই শরীরের ভেতরে একটাই সত্য:
অপরিসীম ক্ষুধা, আর নিঃশর্ত প্রেম।
কত অচেনারে চিনতে দিলে,
কতরে দিলে বসার ঠাঁই,
দূরকে করলে একেবারে আপন,
পরকে করলে আপনাই।
শোনো হে সোনার মাইয়া,
তোমার হাসিতে কঁপে মন,
দূরে থাকলেও মনে লাগে,
তুমি পাশে, খুব কাছে যান।
যখন নৃত্যে ওঠে ঝড়,
তালে তালে কাঁপে ঘর,
ভয় সরে যায়, লজ্জা হারায়
অচেনা বাসনায়।
কত ভোরে, কত সন্ধেতে
তোমার পায়ের শব্দ শোনা যায়,
লুকিয়ে যেন দূত পাঠাও
সে ডেকে নিয়ে যায় আমায়।
আমি চাই না লজ্জার পর্দা,
চাই শুধু তোমার গভীর স্পর্শ।
তোমার তীব্র নিঃশ্বাসে
আমার শরীর লিখে ফেলে নগ্ন কবিতা।
সেই অগ্নিশিখা মূর্তিতে
মোরে ডাকে প্রেম নিমন্ত্রণে,
ক্ষুদ্র আশার ক্ষুদ্র স্বপন
ডুবে যায় অন্ধকারে।
রোদ্দুরে ভেজা পথ ধরে,
তোমার হাসি মোর চোখে ভেসে,
দূরে থাকলেও মনে আসে,
তুমি আছো ঠিক …এখানে মিসে।
বিখ্যাত কবিতা ক্যাপশন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
আমাদের কবিগুরু রবীন্দ্রনাথের কবিতা ক্যাপশন আকারে দিতে চাইলে, নিচের পংক্তিগুলি তোমার জন্য। দেখে যাও বেচে নাও বাছাই করা কবিতাগুলি।
জানি আমার কঠিন হৃদয়
চরণ রাখার যোগ্য সে নয় –
সখা, তোমার হাওয়া লাগলে হিয়ায়
তবু কি প্রাণ গলবে না।
অমন আড়াল দিয়ে লুকিয়ে গেলে—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

আমার এ প্রেম নয় তো ভীরু,
নয় তো হীনবল –
শুধু কি এ ব্যাকুল হয়ে
ফেলবে অশ্রুজল।
আমার এ প্রেম নয়তো ভীরু—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি
শত রূপে শত বার
জনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।”
অনন্ত প্রেম—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আজি নব বসন্তের প্রভাতের আনন্দের
লেশমাত্র ভাগ,
আজিকার কোনো ফুল, বিহঙ্গের কোনো গান,
আজিকার কোনো রক্তরাগ!
১৪০০ সাল—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
কারে দিব দোষ বন্ধু, কারে দিব দোষ!
বৃথা কর আস্ফালন, বৃথা কর রোষ।
যারা শুধু মরে কিন্তু নাহি দেয় প্রাণ,
কেহ কভু তাহাদের করে নি সম্মান।
অভিমান—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ভাবি যখন ভেবে না পাই তবে
দেবার মতো কী আছে এই ভবে।
কোন্ খনিতে কোন্ ধনভান্ডারে,
সাগর-তলে কিম্বা সাগর-পারে,
যক্ষরাজের লক্ষমণির হারে
যা আছে তা কিছুই তো নয় প্রিয়ে!
দান—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
হাতে তুলে দাও আকাশের চাঁদ —
এই হল তার বুলি।
দিবস রজনী যেতেছে বহিয়া,
কাঁদে সে দু হাত তুলি।
আকাশের চাঁদ—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আমার হৃদয়ভূমি-মাঝখানে
জাগিয়া রয়েছে নিতি
অচল ধবল শৈল-সমান
একটি অচল স্মৃতি।
আচল স্মৃতি—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আমার হৃদয় প্রাণ
সকলই করেছি দান,
কেবল শরমখানি রেখেছি।
চাহিয়া নিজের পানে
নিশিদিন সাবধানে
সযতনে আপনারে ঢেকেছি।
লজ্জা—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- Nulled
- Tech
- Job
- Hacking Course
- News
- Out Knowledge
- Status
- Quotes
- Caption
- Stories
- Education
- Shopping
- Entertainment
- Lifestyle
- Business
- Travel
- Opinion
- Art
- Causes
- Crafts
- Dance
- Drinks
- Film
- Fitness
- Food
- Games
- Gardening
- Health
- Home
- Literature
- Music
- Networking
- Other
- Party
- Religion
- Shopping
- Sports
- Theater
- Wellness