Commandité
-
Fil d’actualités
- EXPLORER
-
Evènements
-
Blogs
-
Offres
-
Emplois
ছিলেন এক সুশৃঙ্খল সেনানায়ক, এক সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, এক দূরদর্শী রাষ্ট্রপতি…………
ছিলেন এক সুশৃঙ্খল সেনানায়ক, এক সাহসী মুক্তিযোদ্ধা, এক দূরদর্শী রাষ্ট্রপতি। যিনি যুদ্ধ করেছিলেন অস্ত্র হাতে, আর শান্তি এনেছিলেন কলম হাতে। যিনি ৬৫-তে পাকিস্তানকে বাঁচিয়েছেন, যিনি ৭১-এ স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে গোটা জাতিকে জাগিয়ে তুলেছিলেন, আজ ইতিহাসের পাতায় তাঁর নামই মুছে ফেলার চক্রান্ত চলে!
তিনি রাষ্ট্রপতি ছিলেন, কিন্তু জীবনযাপন ছিল সাধারণ মানুষের মতো। বিশ্বাস করতেন, “যদি কৃষক বাঁচে, দেশ বাঁচবে।” তাঁর জীবন ছিল পরিশ্রম, ত্যাগ আর আদর্শের প্রতিচ্ছবি।
”ছিলেন সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা এক রাষ্ট্রনায়ক”

যখন বাংলাদেশ সদ্য স্বাধীন, ক্ষত-বিক্ষত, তখন তিনি শুধু রাজনীতি নয়, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও ভবিষ্যতের দিকেও দৃষ্টি দিয়েছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে পরিকল্পনা করা হয়েছিল যে, ভবিষ্যতে বাংলাদেশ নিজস্ব রকেট উৎক্ষেপণ করবে, মহাকাশ প্রযুক্তির দিকে এগিয়ে যাবে। চেয়েছিলেন, বাংলাদেশ যেন শুধু কৃষি নির্ভর না থেকে, টেকনোলজি ও ইনোভেশনের পথ ধরে এক আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত হয়। এই লক্ষ্যেই তিনি উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার ওপর জোর দেন, এবং বিজ্ঞানমনস্ক নেতৃত্ব গঠনের উদ্যোগ নেন।
তার সময়েই দেশে উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর শিল্প ও আইটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরির পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়, যার ভিত্তিতে পরবর্তীকালেও ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা সম্ভব হয়েছে।
ছিলেন?
→ রাষ্ট্রপতি
→ মুক্তিযুদ্ধের বীর সেক্টর কমান্ডার
→ স্বাধীনতার ঘোষক
→ বীর উত্তম
→ সেনাবাহিনী প্রধান
→ বহুদলীয় গণতন্ত্রের স্থপতি
→ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদের প্রবর্তক
→ SAARC ধারণার জন্মদাতা
→ OIC সদস্যপদ অর্জনের কারিগর
→ কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতির বিপ্লবী নেতা
→ পার্বত্য শান্তির স্থপতি
→ বিশ্বদূত হয়ে চীন, সৌদি আরব ও আমেরিকার সঙ্গে কূটনৈতিক সুসম্পর্ক গড়ে তোলা নেতা

১৯৮১ সালের ২৯ মে, রাষ্ট্রপতি হিসেবে নয়, জনগণের নেতা হিসেবে তিনি পা রাখলেন চট্টগ্রামের মাটিতে। তাঁর নিজের গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআই তাঁকে আগেই সতর্ক করেছিল সেখানে ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু তিনি বিশ্বাস করেছিলেন, নিজের ওপর, নিজের সহযোদ্ধাদের ওপর, নিজের দেশের ওপর।
তিনি প্রটোকল নেননি, কারণ তাঁর বিশ্বাস ছিল, যদি একজন নেতা নিজের জনগণের মধ্যে নিরাপদ না থাকেন, তবে সে নেতৃত্বের কোনো মূল্য নেই। এই বিশ্বাসই তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল সেই অন্ধকার রাতের দিকে, যেখানে অপেক্ষা করছিল বিশ্বাসঘাতকতা, ষড়যন্ত্র আর মৃত্যু।
জেনারেল আবুল মনজুর, যিনি ছিলেন তাঁরই নিযুক্ত, তাঁরই আস্থাভাজন, তাঁরই কাঁধে রাষ্ট্রের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল, সেই মনজুরই এক ভয়ঙ্কর চক্রে জড়িয়ে ষড়যন্ত্র করেন। যে চক্রে নেতৃত্ব দিয়েছিল এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারী, যার হাতে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন জিয়া নিজেই। তিনি বোঝেননি, যাদের তিনি জীবন ফিরিয়ে দিয়েছিলেন, তারাই একদিন তাঁর জীবন কেড়ে নেবে।
সেই রাতেই বজ্রঝড়ের মধ্যে তিনি শেষবারের মতো ফোন করেন তাঁর স্ত্রী, প্রিয়তমাকে, যিনি আজ ‘গণতন্ত্রের মা’ হিসেবে পরিচিত। শুধু বলেছিলেন,
“আল্লাহ চায় তো সকালে চলে আসব।”
কিন্তু ভাগ্য তখনই হয়ত লিখে রেখেছিল তাঁর বিদায়ের প্রতিটি লাইন। সেটিই ছিল তাঁর জীবনের শেষ ফোনকল, শেষ বার্তা, একজন স্বামীর, একজন বাবার, একজন রাষ্ট্রপতির।

যাইহোক, পরবর্তীতে আবার দেশের হাল ধরেন তারই প্রিয়তমা স্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া!
অনবিজ্ঞ হওয়ার পরেও দেশের নেতাদের চাপে এবং স্বামীর অসমাপ্ত কাজ শেষ করতে অল্প সময়ে দেশ ও দেশের মানুষের জন্য চূড়ান্ত এফোর্ট দেন বেগম খালেদা জিয়া!
অনেক চড়াই-উতরায় পেড়িয়ে শেষ করেন ২ মেয়াদ। ছাগল-মার্কা মহাসচিবের একান্ত চাপে তত্বাবধায়কের দায়িত্ব দেন ফখরুদ্দিন-মইনুদ্দিনের হাতে।
ক্ষমতা পেয়েই বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের সাথে কোকো রহমানকে যৌথ বাহিনীর নামে এরেস্ট করে ডিজিএফআই। দুই ভাইয়ের উপর অকথ্য নির্যাতন চালায় তারা। প্রেসক্রিপশন দিল্লীর। তারেক রহমানের উপর যে নির্যাতন করা হয় তারচেয়ে বিপজ্জনক টর্চার চলে কোকো ভাইয়ের উপর। একইসাথে চলে ড্রাগ। উনার হার্টের কন্ডিশন চূড়ান্ত বাজে হয়ে যায়। এরেস্ট হবার আগে উনার কখনো কোন হার্ট কন্ডিশন ছিলো না।
অন্যদিকে, হাসিনাকে গ্রেফতার ছিলো সম্পূর্ন লোক-দেখানো, তত্ত্বাবধায়কের কথিত নিরপেক্ষতাবাদীতার প্রমান দেয়া। যাইহোক, দুই ছেলের উপর নির্যাতন করে বেগম জিয়াকে ভয় দেখানো হয়, মুচলেকা দিতে বলা হয় যে তিনি এবং তার পরিবার কোনোদিন বাংলাদেশের রাজনীতির সাথে যুক্ত হবেনা। কিন্তু লৌহমানবী বেগম জিয়া সেদিন বলেছিলেন যে আল্লাহ্ যদি উনার দুই ছেলের কুরবানি লিখে রাখেন তাহলে মুচলেকা দিয়ে ওদের বাঁচানোর ক্ষমতা তার কই! তিনি বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রকে অভিভাকহীন করতে রাজী হননি।
ফের টর্চার শুরু হয়। এক পর্যায়ে মৃত্যুর দৌড় গোড়ায় নিয়ে যাওয়া হয় কোকো ভাইকে। হার্টের কন্ডিশন এত বাজে হয়ে যায়, যেকোনো কিছু একটা হয়ে যেতে পারে। তখন কূটনৈতিক মহলে ব্যাপারটা জানাজানি হয়। সেনা শাসনে অধীনে দেশের সদ্য সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছেলের মৃত্যু হলে জেনারেল মইন উদ্দিন এবং ফখরুদ্দিন মানবাধিকার সংস্থার চাপে পড়তেন। এই চাপের ভয় ছিলো অ্যানেস্টি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে। কারণ তখন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সেক্রেটারি জেনারেল ছিলেন আইরিন খান। আইরিন খান ছিলেন জোবায়দা রহমানের আপন মামাতো বোন। তারেক রহমানের শশুর ছিলেন সাবেক নৌবাহিনী প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান। + মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানীও তারেক রহমানের মামা শশুর অর্থাৎ জোবায়দা রহমানের মামা।
যাইহোক, তারা জেনারেল মইনকে প্রেশারে ফেলেন। সাথে আইরিন খান তার ম্যাক্সিমাম পাওয়ার এক্সার্ট করেন কোকো ভাইকে বেটার ট্রিটমেন্টের জন্য দেশের বাইরে পাঠাতে। অবশেষে জেনারেল মইন বাধ্য হয়। এরপর উনাকে থাইল্যান্ড নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডক্টরগণ সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। উনাকে এমন নির্মম নির্যাতন করা হয়েছিলো যে উনার হার্ট ফাংশান দুর্বল হয়ে যায়। মিরাকল ছাড়া বাঁচানোর আশা ছিলো না। সেখানে একটু ইম্প্রুভ করার পর নিয়ে যাওয়া হয় মালোশিয়ায়। সেখানে নিবিড় চিকিৎসা দেয়া হয়। কিন্তু সম্পূর্ণ সারিয়ে তোলা যায়নি। কারণ উনাকে এমন ভাবে টর্চার করা হয়েছে যেন হার্ট নষ্ট হয়ে যায়। ড্যামেজের লেভেল ছিলো বেশী। সম্ভবত মায়োকার্ডিয়াল ইনফার্কশন টাইপের কিছু।
তখন চাপে পড়ে, তারেক রহমানকে ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়!
অন্যদিকে, খালেদের উপরও শুরু হয়েছিলো ‘স্লো পয়জনিং’, যাতে নির্যাতনে / জেলে না মরে হাসপাতালে গিয়েই মরে!
যাইহোক, ২৪ জানুয়ারি ২০১৫-তে কোকো রহমান ইন্তেকাল করেন।
কোকো ও তারেক ভাইয়ের উপর এই নির্যাতন করেছিলো স্পেসিফিক্যালি ডিজিএফআইতে নিযুক্ত সেনাবাহিনী অফিসারদের একটি টীম। তারাই তারেক রহমানের মেরুদণ্ড ভেঙ্গেছিলো। আবার বেগম জিয়াকে গিয়ে সেই কাহিনী বলে উনাকে দুর্বল করার চেষ্টা করেছে। এরাই প্রায় এক যুগ ধরে চূড়ান্ত মানসিক অত্যাচার করেছে। সেই অফিসারদের অনেকেই এখন আর্মির টপ কম্যান্ডে আছে। নাম বলবো না, কিন্তু তারাই এখন প্রো-বিএনপি সেজে বিএনপিকে ক্ষমতায় নেয়ার মূলা ঝুলিয়েছে! তারাই এখন গণতন্ত্রের শুভাকাঙ্ক্ষী সেজেছে!
যাই হোক, সেদিন রাত আড়াইটায়, চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে হামলা হয়। রকেট লঞ্চার, এসএমজি, গ্রেনেড, সবকিছু দিয়ে সশস্ত্র বাহিনী ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রেসিডেন্টের ঘুম ভাঙে বিস্ফোরণের শব্দে। একে একে তাঁর নিরাপত্তা কর্মকর্তারা প্রাণ দেন। শেষ পর্যন্ত জিয়াকে লক্ষ্য করে চালানো হয় একের পর এক গুলি। হত্যাকারী লে. কর্নেল মতিউর রহমান দুটি ম্যাগাজিন খালি করে দেয়, শরীর আর মুখ একেবারে গুলিতে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। একজন রাষ্ট্রপতির দেহ নয়, বাংলাদেশের আত্মাকেই যেন গুলি করে ছিন্নভিন্ন করা হয়েছিল।

যখনই বাংলাদেশকে এগিয়ে যাচ্ছিলো, তখনই দেশবিরোধী শক্তির গায়ে আগুন লেগে যায়। কারণ তারা জানত, এরা বেঁচে থাকলে, বাংলাদেশ কখনো পরাধীন হবে না, হবেনা রাম রাজ্যের অংশ!
এই মানুগুলোই আজ ইতিহাসের সবচেয়ে নির্মম ষড়যন্ত্রের শিকার। জিয়াকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছিল অজানা এক গ্রামে, অচেনা এক কবরস্থানে। কিন্তু ইতিহাস কি ভোলা যায়?
জিয়ার মৃত্যু শুধু একজন মানুষকে হারানো ছিল না, একটা স্বপ্নের অপমৃত্যু, এক আদর্শের বেদনার উপাখ্যান। আজও যারা দেশকে ভালোবাসে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করে, নেতৃত্বের সৎ রূপ খোঁজে তাদের হৃদয়ে জিয়াউর রহমান চিরজীবী, চির অম্লান।
“জিয়াউর রহমানের পাঁচ বছরের শাসনে প্রতি মাঘের শেষে বর্ষন হয়েছিল কিনা তা কেউ হিসাব রাখেনি, তবে এই পাঁচ বছরে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয়নি। অতি বর্ষনের বন্যা না, খরা না, জলোচ্ছাস না। দেশে কাপড়ের অভাব কিছুটা দূর হলো। দ্রব্যমূল্য লাগামছাড়া হলো না।
বাংলাদেশের নদীতে প্রচুর ইলিশ মাছ ধরা পড়তে লাগলো। বাংলাদেশের মানুষ মনে করতে লাগলো অনেক দিন পর তারা এমন এক রাষ্ট্রপ্রধান পেয়েছে যিনি সৎ। নিজের জন্য বা নিজের আত্নীয়স্বজনের জন্য টাকা পয়সা লুটপাটের চিন্তা তার মাথায় নেই। বরং তার মাথায় আছে দেশের জন্য চিন্তা। তিনি খাল কেটে দেশ বদলাতে চান। জিয়া মানুষটা সৎ ছিলেন, এতে কোনো সন্দেহ নেই।
লোক দেখানো সৎ না, আসলেই সৎ। তার মৃ’ত্যুর পর দেখা গেল জিয়া পরিবারের কোনো সঞ্চয় নেই।”
—হুমায়ূন আহমেদ (দেয়াল, পৃষ্ঠা-১৯৩)
এই জাতি হয়তো অনেক কিছু ভুলে যেতে পারে, কিন্তু এক অন্ধকার রাতে শহীদ জিয়ার সেই রক্তস্নাত আত্মবলিদান, তা ইতিহাস হয়ে থাকবে, এক বিশ্বাসঘাতকতার জ্বলন্ত দলিল হয়ে।
যাইহোক, যেদিন থেকে বিএনপির হাই কম্যান্ড ডান্ডিয়ানদের ন্যারেটিভ গ্রহণ করেছে সেদিন থেকে এদেশের মানুষের বিতৃষ্ণা চলে এসেছে।
বাংলাদেশ এখনো দেশ হিসেবে টিকে আছে, সিকিম-কাশ্মীর-হায়দেরাবাদ হয়নি, শুধু মাত্র জিয়া পরিবারের প্রাণের বিনিময়ে। সেটা উপলব্ধি করার মতো শক্তি বা ইমান আমাদের/আপনাদের নেই!
© RAIYAN (Special thanks to DUB)

নতুন বাংলাদেশ বিনির্মানে সহযোগী হোন
বাংলাদেশ চিরজীবি হোক
আল্লাহ হাফেয।
Rechercher
Catégories
- Nulled
- Tech
- Emploi
- Hacking Course
- Art
- Causes
- Crafts
- Dance
- Drinks
- Film
- Fitness
- Food
- Jeux
- Gardening
- Health
- Domicile
- Literature
- Music
- Networking
- Autre
- Party
- Religion
- Shopping
- Sports
- Theater
- Wellness
Lire la suite
ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারে এই সাবধানতাগুলো মেনে চলুন - Banglatech24.com
ব্যাংক থেকে নতুন কার্ড নিতে চাইলে একাধিক অপশন প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ক্রেডিট কার্ড ও রয়েছে।...
চমৎকার ৫ টি নামায রিমাইন্ডার ক্রোম এক্সটেনশন! | Techtunes | টেকটিউনস
উইন্ডোজ ৮ (ডেভেলাপার প্রিভিউ ভার্শন) ইন্সটল করুন 7 / Vista / XP এর সাথে (ডুয়েল... নাবিল আমিন
ফেসবুকে লেখা থেকে ভিডিও তৈরির প্রযুক্তি ঘোষণা করল মেটা
Make-A-Video নামে একটি নতুন ফিচার নিয়ে এসেছে ফেসবুকের মূল কোম্পানি মেটা। এটি একটি এআই ভিডিও...
Premium URL Shortener v6.9.1 Nulled - Link Shortener, Bio Pages & QR Codes
Premium URL Shortener v6.9.1 Nulled – Link Shortener, Bio Pages & QR Codes PHP Script...