Sponsorizzato

না পাওয়া ভালোবাসার ভালো সমাধান

0
4

না পাওয়া ভালোবাসার ভালো সমাধান!

যদিও শিরোনাম শুনে মনে হতে পারে এটা প্রেম ভালোবাসার গল্প সাহিত্যিক কথা তবে মনে করিয়ে দিচ্ছি এটি কেবলি একটি “সাইকোলজিক্যাল আর্টিকেল” যা কিনা আমাদের নিত্য জীবন তথা লাইফস্টাইলের সাথে রিলেটেড – সুতরাং চলুন না পাওয়া ভালোবাসার একটা সমাধান খোঁজ করা যাক!

প্রারম্ভিকতা

“প্রেম ও ভালোবাসা ঐশ্বরিক” কথাটা শুনতে যদিও সুন্দর তথাপি মানব ইতিহাসের যতোসব বিপর্যয় তাতে কোথাও না কোথাও ঐ কাম প্রেমের স্বার্থান্বেষী প্রভাব ছিলো – অপরাপর সফলতার পেছনেও “এই পৃথিবীর যা কিছু সুন্দর কল্যানকর – অর্ধেক তার গড়িয়াছে নারী অর্ধেক তার নর” তেও অপার ভালোবাসার ছোয়া ছিলো বৈকি!
যদিও সহজ সরল সংজ্ঞা ডেফিনাইট করা কঠিন তবুও কাটখোট্টা সাইকোলজির দর্শনে “প্রেম কিংবা ভালোবাসা মানব মস্তিষ্কের এক হরমোনের মিথস্ক্রিয়া – যেখানে ব্যক্তির মানসিকতা স্বাপেক্ষ পরিবেশ ও পরিস্থিতি বিবেচনায় বয়সের কোন একটি সময়ে অপরের প্রতি ভালো লাগার অপার্থিব অনুভূতি তৈরী হয় ডোপামিন, অক্সিটোসিন, সেরোটোনিন, নরএপিনেফ্রিন এবং এন্ডোরফিন এর যুগপৎ ক্রিয়া প্রতিক্রিয়ার কার্যকরী ফলাফল হিসেবে”।

ভালোবাসার হরমোন কালচার

হয়তো এখনও বুঝতে একটু কঠিল লাগতে পারে তথাপি চলুন পরিষ্কার করা যাক….

• ডোপামিন (Dopamine) – এটি প্রেমের নেশার একদম প্রাইমারি উদ্রেক ঘটায় যেমন কাউকে দেখলে উত্তেজনা, আনন্দ, বারবার তার কথা ভাবনা ইত্যাদি যাতে মস্তিষ্ক সেই একই ভালো লাগার অনুভূতি পুনঃপুন ট্রিগারর্ড হতে পারে Reward Hormone হিসেবে।
• অক্সিটোসিন (Oxytocin) – ভালোবাসা ও বন্ধনের হরমোন যা স্পর্শ, হাত ধরা, বিশ্বাস ইত্যাদির মাধ্যমে নির্ভরতা এবং আস্থা তৈরী করে।
• সেরোটোনিন (Serotonin) – মানসিক স্থিরতায় মনের শান্তি ও নিরাপত্তা অনুভব জাগ্রত করে যেমন
“তাকে ছাড়া আপনি বাঁচবেন না” এটি আসলে এক প্রকার নিজের স্বার্থে আপনার মানসিক স্থিতির বহিঃপ্রকাশ; আদতে আপনি অবশ্যই খুব ভালো করে বাঁচতে চান এবং সেটার জন্যই ঐ ভালোলাগা বা ভালোবাসার মানুষটিকে পরস্পরের প্রয়োজন মাত্র।
• নরএপিনেফ্রিন (Norepinephrine) – এটি হার্টবিট বৃদ্ধি করে তাতে ভালোবাসার মানুষটিকে দেখলে ইষৎ বুক ধড়ফড়, হাত কাঁপা, মুখ লাল হওয়ার কারণ; এটি পজেটিভ ভাইবে এক দূরূন মানসিক উদ্দীপনা যোগায়।
• এন্ডোরফিন (Endorphin) – সুখের অনুভূতি জাগায় যাতে শান্তি, স্বস্তি, রিলায়েবলিটি, স্ট্রেস হ্রাস ইত্যাদি ঘটে যেমন “প্রিয়জন পাশে থাকলে আপনার মনের শক্তি বাড়ে এবং আপনি প্রশান্তি অনুভব করেন”।

ভালোবাসা বিরহের ব্যারাম

অনেকের কাছেই হয়তো শুনে থাকবেন যে ” অমুকে ভালোবাসার মানুষকে না পেয়ে পাগল হয়ে গিয়েছে” – যদিও কথাটা আজকের দিনে বেশ হাস্যকর লাগে কেননা আবেগ ও অনুভূতির স্থানে আমরা বেশ কঠিন এবং বাস্তবমুখী স্বার্থনিজ হয়ে গিয়েছি তবুও প্রতিটি মানুষই ভালোবাসার বিরহে কাতর হবে এটিই স্বাভাবিক।
কেন এই অনুভূতি জাগবে না বলুন?
উপরের প্যারাতে ইতিমধ্যেই দেখেছেন ভালোবাসার কারনে আমাদের মস্তিষ্কে হরমোন্যাল কতো কান্ডকারখানা ঘটে – অপরাপর নিউরো কেমিক্যাল এইসব ইমপ্যাক্টের সাথে সাথে সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনস যেমন ব্যক্তিত্ব, মন ও মননশীলতা, স্মৃতি, আবেগী অনুভূতি ইত্যাদিও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে থাকে। এখন হঠাৎ করেই যখন নানান কারনে ভালোবাসায় বিরহ ঘটে তখন মস্তিষ্ক ঐসব নিউরোট্রান্সমিটার ডোপামিন, অক্সিটোসিন, সেরোটোনিন আর এন্ডোরফিন এর মতো সুখের হরমোনগুলোর নিঃসরণ একরূপ বন্ধ হয়ে যায় (হরমোন ট্রিগার্ড হওয়ার মূল কারণ তথা ভালোবাসার মানুষটিকে হারায়) অপরাপর মস্তিষ্কের সেল্ফ ডিফেন্সিভ মেকানিজমে কর্টিসল ও অ্যাড্রেনালিন মতো হরমোনগুলো মানসিকভাবে হতাশা, ডিপ্রেশন এবং মন খারাপের কারন হয়ে দাড়ায়।
এই পরিস্থিতি অনেকের জন্যই মেনে নিয়ে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব হয়ে উঠে না – ফলে স্ট্রেস, উদ্বেগ ও অস্থিরতায় মানসিকভাবে শূন্যতা ও আনন্দহীনতায় একটি সাইকোলজিক্যাল শক তৈরী হয়; তাতেই সাইকোলজিক্যালি “পাগল” হয়ে যাবার মতো হাস্যকর শোনালেও বাস্তবতায় স্বাভাবিক এমন ঘটনা ঘটে!
“ভালোবেসে পাগল হওয়া” এটি কোন হাস্যকর ঘটনা হতে পারে না কেননা এটি একটি প্যাথেটিক সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশন – যেখানে সহানুভূতি প্রয়োজন সেখানেই টিটকারি ও গঞ্জনায় উক্ত মানুষটির জীবন আরও ভয়াবহ দূর্বিষহ করে তোলে।

না পাওয়া ভালোবাসার সমাধান

খুব সম্ভবত এটিই সবচেয়ে জটিল একটি সাইকোলজিক্যাল সাবজেক্ট যেখানে না পাওয়া ভালোবাসার সমাধান খুঁজে বের করে একজন মানুষ শান্ত ও সুস্থির সুন্দর জীবনযাপন করতে পারবে – এটি মৌখিকভাবে বলাটা সহজ হলেও কার্যত কঠিন।
তবুও আমাদের এমন একটা সমাধান খুঁজে বের করতেই হবে তাই আমরা সবার আগে নিউরো কেমিক্যাল হরমোনাল কন্ডিশন এবং তারপর প্রায়োগিক সাইকোলজিক্যাল কন্ডিশনসসমূহ এনালাইসিস করতে পারি।

নিউরোট্রান্সমিটার পার্সপেক্টিভ পার্সেপশান

দেখুন না পাওয়া ভালোবাসার মানুষের কোন অল্টারনেট হতে পারে না – এখানে চিনির স্বাদ গুড়ে পূরণ করলে মিষ্টি পাওয়া যায় বৈকি তবে চিনি = গুড় হয়ে যাবে না।
কিন্তু কিন্তু কিন্তু….
এখানে একটা বিরাট “কিন্ত” হলো যে আমাদের মস্তিষ্ক আসলে মোটাদাগে বায়ো কেমিক্যালি একটি “বোকা” জৈবিক সিস্টেম। এই যেমন আপনি যদি নাক বন্ধ করে কোন খাবার গ্রহন করেন তাহলে জিহ্বা ঐটুকু সময় অবধি কোন স্বাদ এর সেন্স পাবে না / আপনাকে যদি কোথাও চিমটি কাটা হয় তাহলে ঐ স্থানটিকে লেন্সের বিপরীত পাশ থেকে চোখে দেখানো হলে পেইন ফিল হ্রাস পাবে / প্লাসিবো ইফেক্টে Suger Pill দিয়ে নানান রোগে প্রতিশোধক হিসেবে কাজ করে / রোলার কোস্টার আমাদের ঠিকই উচ্চতা এবং ঝাঁকুনীতে ভয়ের ফিলিংস দেয় ইত্যাদি ইত্যাদি।
তো আমাদের এই মস্তিষ্কের সিস্টেমটা’কে যদি সঠিকভাবে ইউটিলাইজ করা যায় তাহলে হরমোন্যাল বিষয়গুলোর এক্সেস করে ভালোবাসার বায়ো কেমিক্যাল এক্টিভিটি কনট্রোল করা যেতে পারে।
আপনার হয়তো শুনতে অবাক লাগবে তবুও এই যারা প্রেমের বিরহে মাদকাসক্ত তারা আসলে প্রথম ট্রিপ গ্রহন করে বিরহের বিপরীতে মস্তিষ্ক একইরূপ হরমোন্যাল সিগন্যাল ক্রিয়েট করতে – এরপর অবশ্য সেটা ডোপামিন আর সেরোটোনিন এর গোলকধাঁধায় আটকে আসক্তিতে রূপ নয়।
তাহলে আমরা কি করতে পারি?
যদি আপনি ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলেন এবং তাকে কোনভাবে ফিরে পেতে চান তাহলে নিউরোট্রান্সমিটার উদ্দীপনায় আপনি সেই সমস্ত কাজ করুন যা কিনা আপনাকে একইরূপ কিক দিবে।
ডোপামিন ফিলআপ করতে আপনি এমন কিছু করুন যাতে আনন্দ পাবেন যেমন সেটা হতে পারে আপনার প্যাশান অনুসারে নতুন স্কিল অর্জন, ভাষা শেখা , কোডিং করা , মিউজিক শোনা, গান গাওয়া, কবিতা লেখা, গল্প লেখা ইত্যাদি।
প্রায়ই তো শোনা যায় যে অমুক তমুক নামী লেখক হওয়ার পেছনে প্রেমে ছ্যাকা খাওয়ার অবদান অনস্বীকার্য। নরএপিনেফ্রিন নিয়ন্ত্রণে আপনি থ্রিলার মুভি দেখুন, একাকী ভ্রমনে যেতে পারেন। অক্সিটোসিন ইউটিলাইজেশানে পশু পাখি পালন করা, নিঃস্বার্থভাবে কারোর জন্য কিছু করা কিংবা এমন কিছু করা যাতে আপনি প্রাউড ফিল করতে পারেন ইত্যাদি।

এখনও আপনার কাছে হয়তো মনে হতে পারে যে এগুলো খুব ভালো কাজ করবে না তথাপি অবশ্যই ইমপ্যাক্টিভ হবে – যদি আপনি লয়্যাল থাকেন। মদকের ক্ষেত্রেও যদি এমনটা কাজ করে তবে উপরোক্ত বিষয়গুলোও কাজ করতে বাধ্য কেননা এখানে শুধুমাত্র পার্থক্য হলো মাদকের ক্ষেত্রে কনশিয়াস হতে সাবকনশিয়াস মাইন্ডে প্রবেশ করা (সাময়িক সময়ের জন্য একরূপ সাইকোলজিক্যাল ভার্চুয়ালিটিতে প্রবেশ – মস্তিষ্কের স্টিমুলেটিভ সিমুলেশন) এবং উপরোক্ত বিষয়গুলো আপনি সাবকনশিয়াস মাইন্ডকে এক্সেস করতে কনশিয়াসনেসের সাথে কাজে লাগাচ্ছেন যার ফলাফল অবশ্যই পজেটিভ এবং প্রোডাক্টিভ।

সাইকোলজিক্যাল পার্সপেক্টিভ পার্সেপশান

উপরের বিষয়গুলো হয়তো আমাদের বোকা মস্তিষ্কে নিউরোট্রান্সমিটার উদ্দীপনায় কাজে আসবে [যদিও আমি জানি আপনার কাছে হয়তো মনে হবে এটি মানসিক স্বান্তনা মাত্র] তথাপি সাইকোলজিক্যালি ভালোবাসার মানুষটিকে ঘিরে থাকা ভালোবাসার আবেশ সেটার সমাধান কি হবে?
ভালোবাসার সময়ে কাটানো সময়, স্ট্যামিনা, স্মৃতি, অনুভূতি, অনুভব এগুলোর বিপরীতে মস্তিষ্কের সাইকোলজিক্যাল অভাব কিভাবে পূরণ করা যাবে?!
এখানেই সিংহভাগ মানুষ একটা বড় ভুল করে – আর তা হলো “ভালোবাসার মানুষটিকে ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করা”।
আরে ভাই….আপনি কি ভালোবেসে ভুল করেছেন?
নাহ, তাহলে ভুলে কেন যেতে হবে? আর ভুলে গেলেই যে ভালো থাকবেন এটা কোন সন্ন্যাসী আপনাকে বলেছে? আপনার আমার জীবনে শৈশব হতে কতো সুন্দর – কুৎসিত / ভালো – খারাপ স্মৃতিই তো আছে তাই বলে জীবন কাটাতে হলে সেইসব ভুলে যেতে হয় নাকি? মস্তিষ্ক সময়ের সাথে সাথেই যেসব বিষয় নন-প্রোডাক্টিভ তা আনকনশিয়াসে পাঠিয়ে দেয় যাতে নতুন বিষয়গুলোর সাথে পরিচয়ে পরিস্থিতি মানুষের জন্য কমফোর্টেবল হয়। এখন আপনি যদি সেটাকেই পুরোপুরি উল্টো পুশ করেন তাহলে ব্যাক ফায়ার তো করবেই – আর সেই ধাক্কাটাই আপনার জন্য সামলে নেওয়া এক প্রকার অসম্ভব হয়ে দাড়াবে।
এখানে আপনি নিজেই আপনি নিজের মনের সাথে যুদ্ধ করছেন – তাতে হার জিতের কিছুই নেই; যদি আপনি ভুলে যেতেও পারেন তাহলে আপনাকে হয়ে যেতে হবে শক্ত মনের অনুভূতিহীন একটা পশুর মতো। আবার যদি হেরেও যান সেক্ষেত্রেও বোধহীন যুক্তি সক্ষমতা প্রয়োগে ব্যর্থ বেঁচে থেকেও জীবন্ত এক লাশের মতো – যে শুধু ইমোশনালি কাতর হতেই পারবে তবে তাতে সাকসেসফুল হওয়ার সক্ষমতা নেই এমন দূর্বলচিত্তের এক প্রাণী!

তাহলে কি করা যায়?

হ্যা, আপনি মোটেই তাকে ভুলবেন না – তাকে মনে রাখুন এবং সেইসব সুখের স্মৃতিচারণ করুন; দুঃখের বিষয়গুলোও প্রয়োজনে প্রাণ খুলে কাঁদুন।
যাকে ভালোবাসতেন – আদতে তাকে তো ভালো রাখতেই চাইতেন তাইনা?

তো ইটস ওকে….বিয়ে না করেও এক ছাদের নিচে বসবাস না করেও তো তার জন্য শুভকামনা রাখা যেতেই পারে; তার যেন ভালো হয় এমন ভালো কাজগুলো করা যেতেই পারে – সুন্দরভাবে মনের বন্ধন কলুষিত না করে তাকে সেই স্মৃতির মনিকোঠায় মলিন না করেও রাখা যায় তাইনা?
এখানেও আরেক ঝামেলা বাঁধে যে “সবকিছুর পরও আমি তো আর তাকে পাইলাম না….” টাইপের মানসিক অনুভূতি,তাইনা?!
আচ্ছা আপনি তাকে কিভাবে পেতে চান বলুন?
শারীরিকভাবে কাছে পেতে চাইতেন নাকি কেবলি উভয়ের স্বাভাবিক সহজাত জৈবিক কামনা মেটাতে চাইতেন?
– নিতান্তপক্ষে হয়তো আপনার উত্তর হবে “না” তবুও আদতে সত্য’টা হলো যে প্রেম ও ভালোবাসার প্রণয় (প্রেম যুগল) এর ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল ইন্টিমেশান গুরুত্বপূর্ণ; তারমানে আবার এটাও নয় যে ইন্টিমেশান না হলেই ভালোবাসা অসফল হয়ে যাবে। মনে রাখা উচিত যে “অসম্পূর্ণ ভালোবাসা মানেই অসফল হওয়া নয়” – তদুপরি অসম্পূর্নতার পূরণের আরও নানা ইথিক্যাল উপায় আছে তো…
অবশিষ্ট যে বিষয়টি থাকে তা হলো মানসিকভাবে একে অপরের সঙ্গলাভ; এক্ষেত্রেও আপনি আপনার কল্পনার জগৎ (ইমাজিনেশান ওয়ার্ল্ড) এমনভাবে তৈরি করতে পারেন যেখানে স্মৃতির স্থানে হারিয়ে যাওয়া ভালোবাসার মানুষটির ইমোশনাল এক্সজিসটেন্স রেখেই তাকে আপন করে পাওয়ার প্রয়াস [বিষয়টি যেন সাইকোলজিক্যাল ডিজঅর্ডার অবধি না গড়ায় সেটিও গুরুত্বপূর্ণ]।

কনক্লুশন

হ্যা, হয়তো আপনি কখনোই বাস্তবতায় ভালোবাসার প্রিয়জনকে সেই সময়ের মতোন করে ফিরে পাবেন না সত্য – তবে এটাও মিথ্যা নয় যে আপনি চাইলেই আপনার ভালোবাসাকে আপনার মতো করে ফিরিয়ে আনতে পারেন।
এটা সেই ভালোবাসা যা কিনা আক্ষরিকভাবেই “ভালো” – যাতে ক্ষোভ আর হিংসার পরিবর্তে সুন্দর আর সুখী জীবনের অবকাশ থাকে।

ভালো থাকুন
শুভকামনা রইলো, ভালো ভালোবাসায় ভালো হউক জীবনের অনাগত সময়টুকুন….
ওয়েব আমন্ত্রণ রইলো : PsychoTech

Cerca
Categorie
Leggi tutto
Nulled
অফপেজ এসইও কী? অফপেজ SEO করার ৬ টি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল! | Techtunes | টেকটিউনস
অ্যাপল মানুষকে ফিরিয়ে নিচ্ছে হাত ঘড়ির যুগে… অসামান্য প্রাযুক্তিক উৎকর্ষতায়! একটি Apple...
By Nettumi 2026-09-21 05:33:41 0 19
Nulled
ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর ম্যাপ - আসুন ইন্টারনেটের ভেতরে দেখি | Techtunes | টেকটিউনস
স্পিড না কমিয়েই ১ তুড়িতেই আইপি হাইড করুন ১০০ গ্যরান্টি রাখাল বালক
By Nettumi 2026-09-21 05:22:58 0 6
Hacking Course
সঠিক নিয়মে ফটো এডিট করার কিছু কার্যকরী টিপস - Banglatech24.com
আমাদের জীবনের সুন্দরতম মুহূর্তগুলোকে ফ্রেমবন্দী করে ধরে রাখার জন্য ফটোগ্রাফির চর্চা দিনদিন বৃদ্ধি...
By Nettumi 2026-09-25 09:43:46 0 7
Tech
Windows 10 এর অটোমেটিক আপিডেট বন্ধ করুন New | Techtunes | টেকটিউনস
আসুন জানি ডাইনোসরের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত জানা ও অজানা কিছু তথ্য MITHU
By Nettumi 2026-09-25 03:51:27 0 8
Nulled
Aior - AI Startup & Technology HTML Template
Aior – AI Startup & Technology HTML Template Free Download. Aior Website Template...
By Nettumi 2026-09-17 18:08:03 0 48
‎ ‎ ‎
Nettumi https://nettumi.com